Soham Chakraborty: নিউ টাউনে রেস্তরাঁ মালিককে মারধর সোহমের, তুমুল বিতর্কে তৃণমূল বিধায়ক
Soham Chakraborty: নিউ টাউনে শ্যুটিং থামিয়ে রেখে রেস্তরাঁ মালিককে মারধর সোহম চক্রবর্তীর। ধাক্কা মেরে চড় কষানোর কথা স্বীকারও করলেন তৃণমূল বিধায়ক।
ওই রেস্তরাঁয় শ্যুটিং চলছিল। গাড়ি পার্কিং করা নিয়েই গণ্ডগোলের সূত্রপাত। রেস্তরাঁ বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন সোহম, দাবি রেস্তরাঁ মালিক আনিসুল আলমের।

আজ নিউ টাউনের সাপুরজি আবাসন লাগোয়া একটি রেস্তরাঁর রুফটপে সোহমের একটি ছবির শ্যুটিং চলছিল। রেস্তরাঁ মালিক জানিয়েছেন, তাঁর ম্যানেজারের কাছে রেস্তরাঁ ভাড়া নিয়ে শ্যুটিংয়ের কথা বলা হয়েছিল। গেস্ট বলে আলাদা করে কোনও ভাড়া নেওয়া হয়নি, শ্যুটিংয়ের অনুমতি দেওয়া হয়।
রেস্তরাঁ মালিকের দাবি, তিনি প্রবেশের সময় দেখেন বেশ কয়েকটি গাড়িতে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে রেস্তরাঁয় প্রবেশের পথ। সোহমের নিরাপত্তারক্ষীদের তিনি অনুরোধ করেন একটি সাদা গাড়ি সরিয়ে রাখতে, যাতে অতিথিদের সমস্যা না হয়। কিন্তু তাঁরা রাজি হননি।
যে গাড়িটি সরাতে বলা হয়েছিল সেটি ছিল সোহমেরই। পার্কিংকে কেন্দ্র করে বচসা গড়ায় হাতাহাতিতে। রেস্তরাঁর কর্মীদের মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। রেস্তরাঁ মালিকের দাবি, সোহমের এক ঘনিষ্ঠ তাঁকে প্রথমে কলার ধরে বলেন, সোহম অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বন্ধু। তখন রেস্তরাঁ মালিক বলেন, উনি অভিষেক, নাকি নরেন্দ্র মোদীর বন্ধু তা নিয়ে আমার কোনও আগ্রহ নেই।
এরপরই সোহম এসে তাঁর মুখে আঘাত করার পাশাপাশি লাথি মেরে ফেলে দেন বলে অভিযোগ রেস্তরাঁ মালিকের। সোহম বলেন, আমি শ্যুটিংয়ে ছিলাম। গণ্ডগোলের আওয়াজ পেয়ে নীচে নেমে ঘটনার কথা শুনি। আমার পাশাপাশি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও রেস্তরাঁ মালিক গালিগালাজ করেছেন। সেটা শুনেই তাঁকে মেরেছি।
রেস্তরাঁ মালিক অবশ্য সোহমের দাবি উড়িয়ে দিয়েছেন। সোহম শ্যুটিং বন্ধ রেখেই চলে যান। রেস্তরাঁ মালিক বলেন, কর্মচারীদের সঙ্গে তাঁকে পুলিশ টেকনো সিটি থানায় নিয়ে গিয়েছিল। যাতে অভিযোগ না জানাই সে কথা বলা হয়। কিছুক্ষণ বসিয়ে রেখে ছেড়ে দেওয়া হয়। তার আগে সোহম রেস্তরাঁ বন্ধের হুঁশিয়ারি দেন। এই আবহে জনপ্রতিনিধির এহেন আচরণে তিনি হতবাক বলে জানিয়েছেন রেস্তরাঁ মালিক।












Click it and Unblock the Notifications