মাদক চক্রের প্রতিবাদ করাতেই বোমা-গুলি ছুঁড়ে খুন তৃণমূল কর্মীকে! ব্যাপক উত্তেজনা নৈহাটিতে

লাইট বন্ধ করে রাতের অন্ধকারে চলল একের পর এক গুলি! এমনকি ছোঁড়া হল একাধিক বোমাও। ঘটনায় মৃত্যু হল একজনের। মৃত ব্যক্তির নাম জাকির হোসেন বলে জানা যাচ্ছে। ঘটনায় বোমার স্প্লিন্টারে জখম হয়েছেন আরও এক ব্যক্তি। তাঁর নাম ইউসুফ আলি

লাইট বন্ধ করে রাতের অন্ধকারে চলল একের পর এক গুলি! এমনকি ছোঁড়া হল একাধিক বোমাও। ঘটনায় মৃত্যু হল একজনের। মৃত ব্যক্তির নাম জাকির হোসেন বলে জানা যাচ্ছে। ঘটনায় বোমার স্প্লিন্টারে জখম হয়েছেন আরও এক ব্যক্তি। তাঁর নাম ইউসুফ আলি মণ্ডল বলে জানা যাচ্ছে।

চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে নৈহাটির শিবদাসপুর এলাকাতে। ঘটনার পরেই ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে গোটা এলাকাতে। বিশাল পুলিশবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। নামানো হয়েছে র‍্যাফ। অভিযুক্তের বাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে বলেও জানা যাচ্ছে।

একাধিক অসামাজিক কাজের প্রতিবাদ

একাধিক অসামাজিক কাজের প্রতিবাদ

জানা যাচ্ছে, মৃত জাকির হোসেন গত কয়েকদিন ধরে লাগাতার এলাকায় ড্রাগ সহ একাধিক অসামাজিক কাজের প্রতিবাদ করে এসেছিলেন মৃত জাকির। এমনকি এই বিষয় নিয়ে শনিবার সকালে স্থানীয় একজনের সঙ্গে ঝামেলা হয় বলে দাবি স্থানীয় মানুষজনের। আর এরপরেই রাতে একেবারে চোখ মুখ ঢেকে বেশ কয়েকজন দুষ্কৃতী বাইক নিয়ে আসে। কেউ কিছু বুঝে ওঠার আগেই জাকিরকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। এমনটাই জানা যাচ্ছে। এমনকি বোমা ছোঁড়া হয় বলেও অভিযোগ।

একাধিক জায়গাতে গুলি লাগে।

একাধিক জায়গাতে গুলি লাগে।

কার্যত আশঙ্কাজনক অবস্থায় ইউসুফ আলি মণ্ডলকে নিয়ে যাওয়া হয় স্থানীয় একটি হাসপাতালে। তাঁর শরীরের একাধিক জায়গাতে গুলি লাগে। যদিও রাতেই গুলি বার করা হলেও সকালে তাঁর মৃত্যু হয় বলে জানা যাচ্ছে। অন্যদিকে বোমার আঘাতে আহত ইউসুফ আলি মণ্ডলের অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা যাচ্ছে। তবে ইউসুফ আলি মণ্ডলের মৃত্যুর খবর সামনে আসার পরেই উতেজনা তৈরি হয়েছে। অভিযুক্তের বাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। এমনকি ঘটনার দীর্ঘক্ষণ পেরিয়ে গেলেও কেন অভিযুক্তকে এখনও ধরা গেল না তা নিয়ে ক্ষুব্ধ এলাকার মানুষ।

 দুজনেই তৃণমূল কর্মী বলে দাবি

দুজনেই তৃণমূল কর্মী বলে দাবি

অন্যদিকে ঘটনায় মৃত এবং আহত দুজনেই তৃণমূল কর্মী বলে দাবি করা হয়েছে শাদকদলের তরফে। ঘটনায় বিরোধীদের চক্রান্ত দেখছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। তবে ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। শুধু তাই নয়, তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্কও। কড়া ভাষায় রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে রাজ্য প্রশাসনকে আক্রমণ শানিয়েছেন বিরোধীরা। বিজেপির দাবি, রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা বলে কিছু নেই। পুলিশের কোনও ক্ষমতা নেই। একের পর এক গুলি-বোমার ঘটনা ঘটছে। কিন্ত্য কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের। কার্যত একই দাবি বাম-কংগ্রেসের। যদিও স্থানীয় তৃণমূলের দাবি, আইন আইনের মতো চলছে। কাউকে দল রেয়াত করে না। আইন আইনের পথে চলছে। খুব শীঘ্রই অভিযুক্তরা গ্রেফতার হবে বলে দাবি স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+