সন্দেশখালির চার এলাকায় উঠল ১৪৪ ধারা বাকি জায়গায় কবে শিথিল হবে?
এদিন সন্দেশখালির চার জায়গা থেকে ১৪৪ ধারা তুলে দেওয়া হল। সন্দেশখালির ঘটনার ঢেউ কলকাতাতেও এসে পড়েছে। বিরোধীরা রবিবারও কলকাতার রাজপথে বিক্ষোভ দেখালেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে স্লোগান তুললেন।
রবিবার উত্তর কলকাতায় বিক্ষোভ দেখাল যুব মোর্চা। সন্দেশখালির মহিলাদের ওপর অত্যাচার বন্ধ, অভিযুক্তদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি তোলা হয়েছে। শোভাবাজার সেন্ট্রাল এভিনিউ মোড়ে বিক্ষোভ দেখানো হয়।

উত্তর কলকাতা বিজেপির যুব মোর্চার পক্ষ থেকে এই বিক্ষোভ দেখানো হয়। এদিকে প্রশাসন সন্দেশখালি নিয়ে বড় পদক্ষেপ করল। সন্দেশখালির চার এলাকা থেকে ১৪৪ ধারা তুলে নেওয়া হল।
শনিবার রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার জানিয়েছিলেন, এলাকা ভিত্তিক পর্যালোচনা করা হবে। তারপরই ১৪৪ ধারা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। গত মঙ্গলবার থেকে সন্দেশখালির ১৯ টি জায়গায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। কোনও বিরোধী দলের নেতাদেরই যেতে দেওয়া হয়নি।
রবিবার চার জায়গা থেকে ১৪৪ ধারা তুলে নেওয়া হল৷ দাউদপুর, আতাপুর, কুলেপাড়া, গোপালের হাট এলাকা থেকে তোলা হয় এই ১৪৪ ধারা। রবিবার বিকেল চারটের পর এই নির্দেশ কার্যকরী হয়েছে। সাধারণ মানুষও হাঁফ ছেড়ে বাঁচল। এমনই কথা জানা গিয়েছে।
এখনও ১৫ টি জায়গায় ১৪৪ ধারা জারি আছে৷ সেই জায়গাগুলি থেকে কবে উঠবে ১৪৪ ধারা? বিরোধীদের কি এলাকায় ঢুকতে দেওয়া হবে? না কি একইভাবে বাধা দেওয়া হবে? তৃণমূলের লোকজন যেতে পারবে। কিন্তু বিরোধীদের ক্ষেত্রেই কেবল প্রশাসনিক বাধা? সেই প্রশ্ন উঠছে।
কেন সন্দেশখালি ঢুকতে দেওয়া হবে বিরোধীদের? সেই মর্মে কলকাতা হাইকোর্টে ফের মামলা দায়ের হয়েছে। চলতি সপ্তাহেই সেই মামলার শুনানি আছে। এর আগে কলকাতা হাইকোর্ট অন্য মামলায় গোটা সন্দেশখালি এলাকায় ১৪৪ ধারা না রাখার নির্দেশ দিয়েছিল।
রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ফের সন্দেশখালি যাবেন। এই কথা তিনি গত দিনই বলেছিলেন রামপুর থেকে। সেখানে শুভেন্দু সহ চার বিজেপি বিধায়ককে আটকে দেওয়া হয়েছিল।












Click it and Unblock the Notifications