বাড়তি ফি নেওয়ার অভিযোগে স্কুলে ভাঙচুর মধ্যমগ্রামে
বাড়তি ফি নেওয়ার অভিযোগে স্কুলে ভাঙচুর মধ্যমগ্রামে
করোনা আবহে রাজ্যের বেসরকারি স্কুলগুলোয় ফি মুকুবের আর্জি নিয়ে সরব হয়েছিল ছাত্র-ছাত্রীর অভিভাবকরা। একাধিকবার স্কুলের সামনে অবস্থান বিক্ষোভ কর্মসূচি ও প্রতিবাদ করেও কোনও লাভ হয়নি। দ্বারস্থ হয়েছিলেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান মুখ্যমন্ত্রীর দরজায় কিন্তু তাতেও কোনো সাড়া মেলেনি। নির্দিষ্ট সীমার নিচে ফি মওকুফ করতে নারাজ স্কুলগুলো। তাই বাধ্য হয়ে এবার প্রতিবাদ করে স্কুল ভাঙচুর করল পড়ুয়াদের অভিবাবকরা। বৃহস্পতিবার এমনই নজিরবিহীন ঘটনা ঘটে গেল উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামের।

জানা গিয়েছে, এদিন বাড়তি ফি নেওয়ার বিরুদ্ধে সরব হয়ে মধ্যমগ্রামের একটি বেসরকারি স্কুলে প্রতিবাদ করেন ছাত্র-ছাত্রীদের অভিভাবকরা। তাদের দাবি, করোনা আবহে বন্ধ সবকিছুই। তারই মধ্যে লক ডাউনের অনলাইন ক্লাস চলেছে। তাই ফি মকুব না করে পড়ুয়াদের কাছে বিভিন্ন খাতে বাড়তি ফি নেওয়ায় অভিযোগ স্কুলের বিরুদ্ধে। প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার সকালে বিক্ষোভ দেখান পড়ুয়াদের অভিভাবকরা। প্রতিবাদ কর্মসূচি থেকে দুই পক্ষের বচসার জেরে ভাঙচুর করা হয় মধ্যমগ্রামের ওই নামী ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে মেলে সমস্যার সমাধান। অভিভাবকদের বুঝিয়ে এলাকা ফাঁকা করেন স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন। আশ্বাস দেওয়া হয় সমস্যার সমাধান হবে বলেও।
অভিভাবকদের দাবি, অতিমারী ও লকডাউনের সময় টিউশন ফি ছাড়া অন্য সব ফি মকুব করতে হবে। টিউশন ফি ছাড়া বাড়তি ফি দিতে নারাজ অভিভাবকরা। কিন্তু এই নিয়ে আলোচনায় বসতে চাইছে না স্কুল কর্তৃপক্ষ। গত পাঁচদিন ধরেই স্কুলে অস্থিরতার আঁচ পাওয়া যাচ্ছিল। অবশেষে এদিন সেই ক্ষোভ চুড়ান্ত আকার ধারণ করে। দীর্ঘসময় বিক্ষোভ দেখানোর পর স্কুলের গেট ও সিসিটিভি ক্যামেরা ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ।
প্রসঙ্গত, রাজ্যজুড়ে যখন স্কুলের নিয়ে সোচ্চার হয়েছেন অভিবাবকরা। সেসময় কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের হওয়া জনস্বার্থ মামলায় একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট যে কমিটি খতিয়ে দেখছে স্কুলের ফি এর বিষয় ছাড়াও অন্যান্য খাতে স্কুলের কত খরচা রয়েছে তা নিয়েও খতিয়ে দেখছে ওই কমিটি। যে মামলা বিচারাধীন রয়েছে সুপ্রিম কোর্টেও। তারই মধ্যে এই রকম ঘটনা নজিরবিহীন বলেই মনে করছে শিক্ষা মহল।












Click it and Unblock the Notifications