Sandeshkhali: 'মুখ্যমন্ত্রী এসে দেখে যান কী অবস্থা সন্দেশখালিতে', বিধায়ককে দেখেই ক্ষোভের বিস্ফোরণ গ্রামবাসীদের
ফের তপ্ত সন্দেশখালি। ডিজি এলাকা পরিদর্শনের পর গ্রামে গ্রামে ঘুরতে শুরু করেন তৃণমূল বিধায়ক সুকুমার মাহাতো। তিনি গ্রামে ঘুরে ঘুরে তাঁদের অভিযোগ জানতে চান। বিধায়ককে দেখেই রীতিমতো ফুঁসে ওঠেন গ্রামবাসীরা। সপাটে তাঁর মুখের উপরে জবাব দেন তাঁরা, 'এতোদিন কোথায় ছিলেন? এতোদিন কেন চুপ করে ছিলেন?'
গ্রামবাসীরা স্পষ্ট প্রশ্ন তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী কেন তাঁদের বহিরাগত বলছেন। কেন মুখ্যমন্ত্রী এসে দেখে যাচ্ছেন না সন্দেশখালির মানুষ কী অবস্থায় রয়েছেন। সরাসরি গ্রামবাসীরা বিধায়কের কাছে প্রশ্ন করেছেন। বিঘের পর বিঘের জমি যখন শাহজাহান শেখ এবং তার দলবল দখল করে নিচ্ছিল তখন তাঁরা কোথায় ছিলেন।

বিধায়ক গ্রামে পা রাখতেই ফের বিক্ষোভের আগুন জ্বলে উঠেছে। এতোদিন ছাইচাপা অবস্থায় ধিকিধিকি জ্বলছিল সেই বিক্ষোভের আগুন হঠাৎ করে বিধায়ক পা রাখতেই আবার তাঁরা জ্বলে উঠেছেন। বিঘের পর বিঘে জমিতে নোনা জল ঢুকিয়ে ভেড়ি তৈরি করেছে শাহজাহান শেখ এবং তার দলবল। তখন কেন তাঁরা আসেননি তাঁদের অভিযোগ শুনতে। কেন চোখ বন্ধ করে বসেছিলেন তাঁরা।
গতকাল রাতে সন্দেশখালিতে হঠাৎ ডিজির উপস্থিতি নিয়ে তুমুল জল্পনা তৈরি হয়েছিল। রাতেই লঞ্চে করে সন্দেশখালীর বিভিন্ন দ্বীপের অবস্থান পরিদর্শন করেন তিনি। তারপরে সন্দেশখালিতে গ্রামে গ্রামে টোটোয় ঘুরে গ্রামবাসীদের সঙ্ঘে কথা বলেন। এবং তাঁদের অনুরোধ জানিয়েছেন অভিযোগ থাকলে পুলিশকে জানান আইন হাতে তুলে নেবেন না।
এদিকে ডিজি সন্দেশখালি থেকে যাওয়ার পরেই ঝুপখালি উত্তপ্ত হয়েছে। গ্রামবাসীরা এবার রাস্তায় নেমে শাহজাহান শেখের ভাইরের বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ করেছেন। ঝুপখালিতে মাঝের ভেড়ির ঘরে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে জনতা। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে। কিন্তু পুলিশের বোঝানোতেও বিক্ষোভ থামছে না। ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে সন্দেশখালি।
ফের লাঠি হাতে রাস্তকায় নেমেছে সন্দেশখালির মহিলারা। এবার শাহজাহানের পরিবারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তাঁরা। একের পর এক নির্যাতনের কাহিনী তারা প্রকাশ করেছেন। সেই রাগ এবং ক্ষোভ কিছুতেই থামাতে পারছে না পুলিশ প্রশাসন। গ্রামের মহিলাদের উপরে লাগাতার নির্যাতন হয়েছে। শাহজাহান শেখ এবং তাঁর পরিবারের লোকেরা। কিছুতেই তাঁরা পরিস্থিতি সামাল দিতে পারছেন না।












Click it and Unblock the Notifications