বধ্যভূমি হয়ে উঠেছে সন্দেশখালি? পুলিশের সামনে বন্দুক নিয়ে ঘুরছে কারা?
ক্রমে বধ্যভূমি হয়ে উঠতে শুরু করেছে সন্দেশখালি? দিনে দুপুরে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ঘুরতে দেখা যাচ্ছে সাধারণ মানুষকে! পুলিশ প্রশাসনের সামনেই একাধিক ব্যক্তি আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে কার্যত দাপিয়ে বেড়াল।এমনই অভিযোগ।
সন্দেশখালির পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। আতঙ্কের পরিবেশ শুক্রবারও রয়েছে। সাধারণ মানুষ সঙ্গবদ্ধ হয়ে প্রতিবাদে নেমেছে। পাশাপাশি তৃণমূল নেতা শিবপ্রসাদ হাজরার ফার্ম হাউসে এবার ক্ষোভের আগুন গিয়ে পড়েছে।

বৃহস্পতিবার থেকেই উত্তপ্ত হয়ে রয়েছে সন্দেশখালি এলাকা। বৃহস্পতিবার উত্তম সর্দারের বাড়িতে হামলা চালানো হয়েছিল। শুক্রবার শিবপ্রসাদ হাজরার ফার্ম হাউস ও পোল্ট্রি খামারে হামলা চালানো হয়। আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় সেখানে।
এই উত্তম সর্দার ও শিবপ্রসাদ হাজরা তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের অনুগামী। তাদের বিরুদ্ধে মানুষের সঙ্ঘবদ্ধ ক্ষোভ এসে পড়েছে। শুধু তাই নয়, এই তিন জনকে অবিলম্বে গ্রেফতারির জানানো হয়েছে।
শুক্রবার সকাল থেকে সন্দেশখালির জেলিয়াখালি এলাকা অগ্নিগর্ভ। আগুন লাগানো হয়েছে ফার্ম হাউস ও পোল্ট্রিতে। শিবু হাজরার অনুগামীরা প্রতিরোধ করতে গিয়েছিল। কিন্তু মানুষের একজোটে তারা পিছু হটে যায়। লাঠিসোটা নিয়ে সাধারণ মানুষ এলাকায় প্রতিবাদে নেমেছে৷
তবে শুক্রবার দুপুরের পরে এক অন্য ছবি ধরা পড়ল। একাধিক ব্যক্তিকে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে দেখা গেল। এলাকায় তারা শিবু হাজরার অনুগামী বলে অভিযোগ এসেছে। আগ্নেয়াস্ত নিয়ে ঘোরার কারণে পিছু হটেছে গ্রামবাসীরা। পুলিশের সামনেই তারা বন্দুক নিয়ে ঘুরেছে। পুলিশ তাদের কোনও কিছু বলেনি। সাধারণ মানুষের থেকে অভিযোগ উঠে আসছে।
বিশাল পুলিশ বাহিনী গিয়ে পৌঁছেছে বলে খবর। সন্দেশখালির ওই এলাকায় এসপি বসিরহাট, ডিআইজি বারাসতের নেতৃত্বে প্রচুর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছে। এলাকায় তারা ঘুরছে। এছাড়াও সন্দেশখালি মিনাখাঁ থানার পুলিশও রয়েছে।
কোনওভাবে যাতে উত্তেজনা না ছড়ায়। যাতে কোনও বড় অঘটন না ঘটতে পারে, সেদিকে নজর রাখা হচ্ছে। গ্রামবাসীদের নিরস্ত করে বাড়ি পাঠানোর চেষ্টা আগেই হয়েছে। গোটা এলাকায় পুলিশ শান্তি ফেরানোর চেষ্টা করছে।












Click it and Unblock the Notifications