সন্দেশখালি যেতে দেবে না পুলিশ, ইছামতির পাড়েই সুকান্ত মজুমদার সরস্বতী পুজো করলেন
টাকি রীতিমত সরগরম। সরস্বতী পুজোর দিনে সন্দেশখালি যাওয়ার জন্য প্রস্তুত বিজেপির রাজ্য সভাপতি মজুমদার সহ অন্যান্য নেতৃত্ব। পুলিশ সুকান্ত মজুমদারদের পথ আটকায়। ইছামতি নদীর তীরে সরস্বতী পুজোয় বসেন সুকান্ত মজুমদার ও অন্যরা।
বাগদেবীকে নিয়ে রীতিমতো হই হট্টগোল হল ইছামতির গেস্ট হাউসের বাইরে। বুধবার বেলার দিকে বিজেপি নেতা ইন্দ্রনীল খাঁ বাগদেবী সরস্বতীর মূর্তি নিয়ে বেরনোর চেষ্টা করেন গেস্ট হাউস থেকে। কিন্তু পুলিশ তাঁকে বাধা দেয়। কোনওভাবেই সন্দেশখালির উদ্দেশ্যে রওনা হওয়া যাবে না। পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়।

শুধু তাই নয়, সরস্বতী প্রতিমাকে নিয়ে রাজনীতি করছেন বিজেপি নেতারা। এমন অভিযোগ্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে ওঠে। সুকান্ত মজুমদার তখনও হোটেলের ভিতরে ছিলেন। এবার তিনি অন্য একটি দরজা দিয়ে বাইরে বেরনোর চেষ্টা করেন। সেখানেও বাধার মুখে পড়েন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।
সকালেই সুকান্ত মজুমদার ঘোষণা করেছিলেন সরস্বতী মূর্তি নিয়ে সন্দেশখালি যাবেন। তাদের যেখানে বাধা দেওয়া হবে, সেখানেই শুরু হবে সরস্বতী পুজো। যদি বাধা না পেয়ে তারা সন্দেশখালি পৌঁছান। সেখানে মানুষদের সঙ্গে ওই পুজো করা হবে।
এদিকে সকালের এই বক্তব্যের পরেই সরস্বতী মূর্তি নিয়ে আসা হয়েছিল গেস্ট হাউসে। পুজোর জিনিসপত্রও আনা হয়। প্রশাসনের কাছে বার্তা যেতেই তারা উঠেপড়ে লাগে। গেস্ট হাউজের বাইরে পুলিশ ও আধিকারিকদের সংখ্যা বাড়তে থাকে। কার্যত গোটা এলাকা পুলিশের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়।
বসিরহাট এসপি অফিসের সামনে গতকাল ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। সে কথা মাথায় রেখে নিরাপত্তার কড়া ব্যবস্থা পুলিশ করে। কাঁদানে গ্যাস নিয়ে আসা হয়। এই পরিস্থিতিতে সন্দেশখালি যাওয়ার জন্য বিজেপি নেতারা বাইরে বের হন।
সন্দেশখালি যেতে দেওয়া হবে না। সেখানে একাধিক জায়গায় ১৪৪ ধারা জারি করা আছে। বিজেপি নেতাদের এই কথা বলা হয়। সুকান্ত মজুমদাররা বাধার মুখে পড়েন। হোটেলের বাইরে একটি অংশে ইছামতি নদীর পাড়ে সরস্বতী পুজো করা হয়।












Click it and Unblock the Notifications