Sandeshkhali: পাবলিক বাসে চড়ে সন্দেশখালিতে ঢোকার চেষ্টা, কংগ্রেসের প্রতিনিধি দলকে আটকে দিল পুলিশ
ফের সন্দেশখালিতে উত্তেজনা। এবার কংগ্রেসের প্রতিনিধি দল এলাকায় ঢোকার চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। রামপুরেই বসে পড়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন কংগ্রেসের কর্মী সমর্থকরা। সেই সময় একটি পাবলিক বাস যাচ্ছিল সন্দেশখালিকে। সেটি আটকে দিেয় তাতে চড়ে বসেন কংগ্রেস নেতা কর্মীরা।
সেই পাবলিক বাসে করে সন্দেশখালির ভেতরে যাওয়ার দাবি জানাতে থাকেন তাঁরা। কংগ্রেসের প্রতিনিধি দল অভিযোগ করেছেন পাবলিক বাস যদি যেতে পারে তাহলে তাদের কেন যেতে দেওয়া হচ্ছে না। প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে রামপুর এলাকা। পুলিশের সঙ্গে রীতিমতো ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে গিয়েছে কংগ্রেস কর্মীদের। তাঁরা সন্দেশখালিতে ঢোকার দাবিতে অনড়।

এদিকে সন্দেশখালিতে আজই যাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধি দল। ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে বলে বিরোধী দলের নেতাদের যখন ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না তখন শাসক দলের প্রতিনিধিদল কীভাবে যাবে সেখানে। এই নিয়ে সরব হয়েছেন বিরোধীরা। সন্দেশখালিতে তুমুল অরাজক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে গত কয়েকদিন ধরে। ১৪৪ ধারা জারি করে সন্দেশখালির চারটি গ্রামপঞ্চয়েত এলাকায় কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না।
প্রথমে বিজেপির প্রতিনিধিদল সন্দেশখালিতে প্রবেশ করার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু তাঁদের রামপুরেই আটকে দেয় পুলিশ। এমনকী শুভেন্দু অধিকারীদের কলকাতা থেকে বেরোতেই দেওয়া হয়নি। প্রতিবাদে গতকাল কলকাতা শহরেই অবস্থান বিক্ষোভে বসেছিলেন বিজেপি কর্মীরা। এদিকে আজ আবার বসিরহাটের পুলিশ সুপারের অফিস ঘেরাওয়ের ডাক দিয়েছেন তিনি। সেকারণে সড়ক পথে না গিয়ে রেলপথে তাঁরা অভিযান শুরু করেছেন। লোকাল ট্রেনে চড়ে বসিরহাটের পথে রওনা হয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।
তার আগে বামেদের প্রতিনিধি দলকে আটকে দিয়েছিল পুলিশ। মীনাক্ষীর নেতৃত্বে বাম প্রতিনিধিদল সন্দেশখালিতে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু তাঁদের যেতে দেওয়া হয়নি। ন্যাজাটে মিছিল করে তাঁরা ফিরে যান। এবার আবার কংগ্রেসের প্রতিনিধিদলকে আটকে দেওয়া হল। এখনও অবস্থান বিক্ষোভে বসে রয়েছেন কংগ্রেসের নেতা কর্মীরা।
এদিকে আজ গ্রামের পাড়ায় পাড়ায় ঘুরে পুলিশের ১০ সদস্যের কমিটি মহিলাদের কাছ থেকে অভিযোগ নিচ্ছেন। সেই সঙ্গে জাতীয় মহিলা কমিশনের প্রতিনিধিরাও গ্রামে ঘুরে মহিলাদের কাছে অভিযোগ নিচ্ছেন। তাঁদের সঙ্গে কী ধরনের নির্যাতন হয়েছে। কোনও রকম ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে কিনা সেটাও জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। গ্রামের মহিলারা এখনও আতঙ্কে রয়েছেন।












Click it and Unblock the Notifications