অভিনব উপায়ে টিকা চুরি করে সোনারপুরে ভ্যাকসিন ক্যাম্প, তাজ্জব পুলিশ থেকে স্বাস্থ্য আধিকারিকরা
অভিনব উপায়ে টিকা চুরি কর সোনারপুরে ভ্যাকসিন ক্যাম্প, তাজ্জব পুলিশ থেকে স্বাস্থ্য আধিকারিকরা
সোনারপুরে (sonarpur) বেআইনি ভ্যাকসিন ক্যাম্পের (illegal vaccine camp) তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য পুলিশের হাতে। অভিযুক্ত মিঠুন মণ্ডল, ভ্যাকসিন রেজিস্টারে কারচুপি করত বলে প্রমাণ পেয়েছে পুলিশ। সেই কারচুপি করা ভ্যাকসিন সে সোনারপুরের ক্যাম্পে বিক্রি করে দিত।

মিঠুন মণ্ডলকে গ্রেফতার করার পরেই পুলিশের পাশাপাশি নবান্নের নির্দেশে তদন্ত শুরু করেন জেলা স্বাস্থ্য অধিকর্তা। কীভাবে এই কাণ্ড তা তদন্ত করতে স্বাস্থ্য দফতরের পাশাপাশি তদন্ত করছে জেলা পুলিশও। তদন্তে দেখা দিয়েছে ডায়মন্ডহারবারের মশাট সাবসেন্টারে ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে বলে দেখানো হলেও, বেশ কিছু ভ্যাকসিন সে দিত সোনারপুরে এসে। অন্তত ৩০ টির মতো ভ্যাকসিন মিঠুন মণ্ডল বেআইনিভাবে সোনারপুরে দিয়েছে বলে তদন্তে উঠে এসেছে।
সোনারপুর পুরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের ভ্যাতসিন কোঅর্ডিনেটর নিজে ভ্যাকসিন বিক্রির কথা অস্বীকার করেছে। যদি যাঁরা ভ্যাকসিন নিয়েছেন ওই মিঠুন মণ্ডলের থেকে, তাঁদের অনেকেই বলেছএন, কেউ ৩০০ টাকা আবার কেউ ৫০০ টাকা দিয়েছেন ভ্যাকসিনের বদলে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ভায়াল ভেঙে যাওয়ার কথা মাথায় রেখে প্রতি কেন্দ্রেই অতিরিক্ত ভ্যাকসিন পাঠানোর রেওয়াজ রয়েছে। ডায়মন্ডহারবারে সেই হিসেবে গড়মিল করত মিঠুন। সেগুলো সোনারপুরে এনে বিক্রি করত। পরে কোইউন অ্যাপে আপডেট করা হত। তাই সোনারপুরে যাঁরা ভ্যাকসিন পেয়েছেন, তাঁরা পরে মোবাইলে ম্যাসেজ পেয়েছেন। পাশাপাশি তাঁরা জানিয়েছেন, তাঁদের সার্টিফিকেটে সোনারপুরের উল্লেখ নেই, আছে ডায়মন্ডহারবারের ঠিকানা।
তবে মিঠুন মণ্ডল একা যে এই কাজের সঙ্গে যুক্ত নয়, আরও অনেকে রয়েছে, সে ব্যাপারে নিশ্চিত পুলিশ। জেলা স্বাস্থ্য দফতরের তরফে এব্যাপারে তদন্তর জন্য ৪ সদস্যের দল তৈরি করে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি যে ভ্যাকসিন দিয়েছিল মিঠুন মণ্ডল, তা দেবাঞ্জন দেবের ক্যাম্পের মতো নকল কিনা, তাও পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications