Dimond Harbour Train Strike: সঠিক সময়ে ট্রেন চলবে, রেল কর্তৃপক্ষের প্রতিশ্রুতি পেয়ে উঠল অবরোধ
প্রতিদিন ট্রেন দেরি করে আসে। কাজে পৌঁছতে দেরি। নিত্যদিনের এই সমস্যায় অধৈর্য হযে শেষে লাইনে বসে পড়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে দিয়েছেন যাত্রীরা। ভোর ৬টা থেকে শুরু হয়েছে বিক্ষোভ। তিন ঘণ্টা পার হয়ে গেলেও অবরোধ তুলতে নারাজ নিত্যযাত্রীরা।
তাঁরা অভিযোগ করেছেন প্রতিদিন ভোরের ট্রেন গুলি লেট করে আসে। কোনও কোনও দিন বাতিল করে দেওয়া হয়। যার জেরে তাঁদের কর্মক্ষেত্রে পৌঁছতে দেরি হয়ে যায়। এবং সেখানে গিয়ে নানা সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। স্কুল কলেজের পড়ুয়ারা ঠিক মতো স্কুল কলেজে পৌঁছতে পারছে না। দিনের পর দিন রেলের অনিয়মিত আচরণের মাশুল গুনতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।

তাই বাধ্য হয়েই তাঁরা ট্রেন অবরোধে বসেছেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে আরপিএফ। কিন্তু অবরোধে অনড় যাত্রীরা। কিছুতেই লাইন থেকে সরবেন না তাঁরা। যাত্রীদের অবরোধের জেরে কোনও ট্রেন ডায়মন্ডহারবার থেকে ছা়ড়তে পারছে না। তার জেরে চরম সমস্যা তৈরি হয়েছে।
তাই বাধ্য হয়েই তাঁরা ট্রেন অবরোধে বসেছেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে আরপিএফ। কিন্তু অবরোধে অনড় যাত্রীরা। কিছুতেই লাইন থেকে সরবেন না তাঁরা। যাত্রীদের অবরোধের জেরে কোনও ট্রেন ডায়মন্ডহারবার থেকে ছা়ড়তে পারছে না। তার জেরে চরম সমস্যা তৈরি হয়েছে।
এখনও অবরোধ তুলতে নারাজ যাত্রীরা। ডায়মন্ড হারবারের পরে আবার মগরাহাট স্টেশনেও যাত্রীরা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেছেন। তাঁদেরও একই অভিযোগ। ট্রেন সময় মতো আসছে না। দিনের পর দিন ট্রেন লেটের কারণে তাঁদের কাজে যেতে বিপুল সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। রেল কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের বারবার অবরোধ তুলে নেওয়ার অনুরোধ করলেও যাত্রীরা অনড় ছিলেন।
প্রায় ৫ ঘণ্টা ধরে অবরোধ করার পর ডায়মন্ড হারবার স্টেশনে অবরোধ তুলে নেন। রেল কর্তৃপক্ষের আশ্বাসে অবরোধ উঠে যায়। রেল কর্তৃপক্ষ আশ্বাস দিয়েছে যে সঠিক সময়ে এবার থেকে ট্রেন আসবে এবং বিভিন্ন স্টেশনে ছাড়বে। তারপরে রেল অবরোধ তুলে নেন যাত্রীরা। তাঁরা অভিযোগ করেছিলেন ট্রেন যাতে সঠিক সময়ে ছাড়ে তার জন্য বার বার রেল কর্তৃপক্ষকে জানিয়েও কোনও কাজ হয়নি। সেকারণেই তাঁরা অবরোধে সামিল হয়েছিলেন।












Click it and Unblock the Notifications