যে কোনও মুহূর্তে খুন হয়ে যেতে পারি! অভিষেক-মমতার শরণে খোদ দলের বিধায়ক
যে কোনও মুহূর্তে খুন হয়ে যেতে পারি! অভিষেক-মমতার শরণে খোদ দলের বিধায়ক
খোদ খুন হওয়ার আশঙ্কা তৃণমূল বিধায়কের! আর সেই শঙ্কাতেই পুলিশের দ্বারস্থ হলেন ক্যানিং পশ্চিমের বিধায়ক পরেশরাম দাস। এর আগেও নিজের খুন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন তিনি। এমনকি এই বিষয়ে রাজ্য পুলিশের আধিকারিকদের সঙ্গেও দেখা করেছিলেন। এবার ফের একবার প্রাণহানির আশঙ্কা করে পুলিশে লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেন ক্যানিং পশ্চিমের বিধায়ক। যদিও তাঁর সঙ্গে একাধিক নিরাপত্তা আধিকারিক রয়েছেন।

কি জানাচ্ছেন বিধায়ক?
ক্যানিং পশ্চিমের বিধায়ক পরেশরাম দাস আজ বুধবার পুলিশের দ্বারস্থ হন। তাঁর অভিযোগ, বেশ কিছু দুষ্কৃতী তাঁদের মধ্যে চিরঞ্জিত বলে একজন চক্রান্ত করছে খুনের জন্যে। ষড়যন্ত্র করে আমাকে খুন করার প্রচেষ্টা চলছে বলেও বিস্ফোরক দাবি বিধায়ক পরেশরাম দাসের। এই বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য রয়েছে বলেও দাবি তাঁর। যদিও এর আগে ক্যানিং থানাতে এবং এসডিপিওকে এই বিষয়ে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন বলে জানান বিধায়ক। আজ এই বিষয়ে এসপি'র কাছে এসে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন বলেও দাবি তাঁর। অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি দেখা হচ্ছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।

যে কোনও মুহূর্তে খুন হয়ে যেতে পারি
অন্যদিকে ফের এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও জানাবেন বলে জানিয়েছেন ক্যানিং পশ্চিমের বিধায়ক পরেশরাম দাস। শুধু তাই নয়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে অভিযোগ জানাবেন বলে জানিয়েছেন। তবে এমন আশঙ্কা নতুন নয় তাঁর। গত কয়েকমাস আগে ক্যানিংয়ের গোপালপুর এলাকাতে নৃশংস ভাবে খুন করা হয় তিন তৃণমূল বিধায়ককে। এই ঘটনায় একেবারে কেঁপে যায় রাজ্য-রাজনীতি। আর সেই সময়ে বিধায়ক বলেন, যে কোনও মুহূর্তে খুন হয়ে যেতে পারি। এই বিষয়ে স্থানিয় থানাতে জানিয়েছিলেন বলেও দাবি করেছিলেন পরেশরাম। এমনকি আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধান হবে বলেও জানিয়েছিলেন। কিন্ত্য সমস্যা যে সমধান হয়নি তা আরও একবার স্পষ্ট।

আইনশৃঙ্খলা তলানিতে এসে ঠেকেছে!
খোদ শাসকদলের বিধায়ক খুন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন। আর এই বিষয়ে লিখিত অভিযোগ জানানোর পরেই শুরু হয় জোর রাজনৈতিক তরজা। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা ইস্যুতে কড়া ভাষায় রাজ্য সরকারকে আক্রমণ স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের। তাঁদের দাবি, বাংলার আইনশৃঙ্খলার অবস্থা এতটাই খারাপ যে বিধায়ক তিনি নিজে প্রাণহানির আশঙ্কা করছেন। সেখানে সাধারণ মানুষ কীভাবে নিরাপত্তা পাবেন কটাক্ষ বিজেপির। এই ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা যে তলানিতে এসে ঠেকেছে তা প্রমাণ করে বলেও আক্রমণ তাঁর। অন্যদিকে তৃণমূলের দাবি, উত্তরপ্রদেশ কিংবা অন্যান্য বিজেপ রাজ্যগুলিতে কি হয় তা জানে সবাই। ফলে সেখানকার থেকে বাংলার অবস্থা অনেক ভালো বলে জানিয়েছেন স্থানীয় এক তৃণমূল নেতা।












Click it and Unblock the Notifications