বড়সড় ভাঙন বিজেপি-সিপিএমে, সাংসদ শান্তনুর বিরুদ্ধে অনাস্থা দেখিয়ে তৃণমূলে যোগ
বড়সড় ভাঙন বিজেপি-সিপিএমে, সাংসদ শান্তনুর বিরুদ্ধে অনাস্থা দেখিয়ে তৃণমূলে যোগ
বসিরহাট ও বনগাঁ লোকসভার মধ্যবর্তী স্বরুপনগরে ও মিনাখাঁয় বড়সড় ভাঙন দেখা দিল বিজেপি ও সিপিএমে। শাসকদলের শক্তিবৃদ্ধি করতে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন দুই সহস্রাধিক নেতাকর্মী। জানা গিয়েছে, বসিরহাট ও বনগাঁ লোকসভার মধ্যবর্তী এলাকার সরূপনগর বিধানসভা। সেখানেই ৩৪২টি পরিবার যোগ দিল তৃণমূলে।

স্বরূপনগরে বিজেপি-সিপিএম ছেড়ে তৃণমূলে
স্বরূপনগরের সগুনা গ্রাম পঞ্চায়েতে সিপিএমের লোকাল কমিটির পঞ্চায়েতের সদস্য সহারব মন্ডল, বিজেপির দিপা সরকার সহ বিজেপি ও সিপিএম থেকে ৩৪২ টির মতো পরিবার তৃণমূলে যোগ দেন। এছাড়াও ছিলেন বেশ কয়েকজন নেতা-কর্মী-সমর্থকরা তাদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন উত্তর ২৪ পরগনা কার্যকরী সভাপতি তথা জেলার পূর্তের কর্মধ্যক্ষ নারায়ন গোস্বামী। উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল নেতা আবুল কালাম, রমেন সরদার, কনক চন্দ্র মন্ডল।

মিনাখাঁ বিধানসভায় ২০০ কর্মী তৃণমূলে
অন্যদিকে, এদিন বসিরহাট মহকুমা মিনাখাঁ বিধানসভায় এলাকার মালঞ্চ বাজারে সিপিএম বিজেপি থেকে দুই শতাধিক কর্মী সমর্থক ও স্থানীয় নেতা তৃণমূলে যোগদান করেন। তাদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দিলেন মিনাখার বিধায়ক ঊষারানী মণ্ডল, ব্লক সভাপতি মৃত্যুঞ্জয় মণ্ডল ও আইয়ুব আলি গাজিরা।

ভুল বুঝতে পেরে তৃণমূলে ঘরওয়াপসি
যোগদানকারী নেতাকর্মীদের দাবি, তারা মানুষের কাজ করতে চান। কিন্তু বিজেপি সিপিএমে থেকে দীর্ঘদিন ধরে মানুষের কাজ করতে পারছিলেন না। তাই মানুষ কাজ করার জন্য এই দলে যোগদান করেন। তাঁদের বক্তব্য, ২০১৯-এর লোকসভা ভোটে আমরা বিজেপিকে ভোট দিয়েছিলাম। ভুল বুঝতে পেরে তৃণমূলে যোগ দিলাম।

পাশে দাঁড়াননি সাংসদ, তাই দলবদল
তাঁদের কথায়, বনগাঁ সংসদ শান্তনু ঠাকুরকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছিলাম। আজও পর্যন্ত আমাদের পাশে আসেনি। করোনা, আম্ফানের মত বড়ো বিপর্যয় মহামারীতে একবারও এসে আমাদের অবস্থা দেখেননি। তাই আমরা তৃণমূলে যোগদান করলাম। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব সবসময় আমাদের পাশে থাকে।












Click it and Unblock the Notifications