কেবল বসিরহাটের ঘোজাডাঙা সীমান্তই স্বাভাবিক, বাংলাদেশের আন্দোলনের প্রভাব পড়েনি সাতক্ষীরায়?
অন্যান্য সীমান্ত কার্যত বন্ধ৷ স্থলপথে পণ্য পরিবহন পরিষেবা এখন থমকে রয়েছে। উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটের ঘোজাডাঙা সীমান্ত খোলা রয়েছে। সেই সীমান্ত দিয়ে কমবেশি পণ্য পরিবহন হচ্ছে। বলে রাখা ভালো এই ঘোজাডাঙা এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম স্থলবন্দর।
বুধবার সকাল থেকেই দেখা যাচ্ছে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে ট্রাক, লরি যাচ্ছে। বেলা পর্যন্ত ৪০ টির বেশি পণ্যবোঝাই ট্রাক সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে গিয়েছে৷ সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনার পরিস্থিতি নেই। সেই কারণে খুব একটা বাণিজ্যে আঘাত আসেনি বলে খবর।

চলতি সপ্তাহের শুরু থেকে বাংলাদেশে অস্থির অবস্থা চলছে। শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। দেশ ছেড়ে তিনি ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন। ওপার বাংলার বিস্তীর্ণ এলাকায় হিংসা চলছে। আগুন জ্বলছে বাড়িঘর, পুলিশ থানায়। একের পর এক খুনের ছবি সামনে আসছে।
একের পর এক সীমান্ত সোমবারই বন্ধ করে দেওয়া হয় হিলি, মহদিপুর, চ্যাংড়াবান্ধা, পেট্রাপোল সীমান্ত আটকে দেওয়া হয়। সীমান্তের ওপারে বাংলাদেশে ক্ষোভের আগুনের আঁচও পাওয়া গিয়েছে। পণ্য পরিবহন সম্পূর্ণ স্তব্ধ ছিল৷
উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটের ঘোজাডাঙা সীমান্ত। সীমান্ত পেরলেই বাংলাদেশের ভোমরা চেকপোস্ট। সাতক্ষীরা অঞ্চল বাংলাদেশের। সেই অঞ্চলে বিক্ষোভের আঁচ এসে পৌঁছায়নি৷ সেই কারণে ভোমরা চেকপোস্ট খোলা রাখা হয় মঙ্গলবার বেলার পর থেকে। আজ বুধবারও বাংলাদেশের ওই এলাকায় কোনও উত্তেজনার খবর নেই৷ সেই কারণে সকাল থেকেই পণ্যবাহী ট্রাক দুই দেশের মধ্যে যাতায়াত করছে।
যদি সাতক্ষীরা অঞ্চলে কোনও অশান্তি হয়, তাহলে বন্ধ করে দেওয়া হবে এই ঘোজাডাঙা সীমান্ত। এই কথাও জানা গিয়েছে। মঙ্গলবার যেসব ওপার বাংলায় গিয়েছিল, সেগুলি ফিরে আসছে। চালকদের কোনও সমস্যায় পড়তে হয়নি। এ কথা জানা গিয়েছে।
সীমান্তে যথেষ্ট কড়া পাহারা রয়েছে। বসিরহাট সীমান্ত এলাকাতেও বিএসএফ জওয়ানরা কড়া নজরদারি রাখছে।












Click it and Unblock the Notifications