বারুইপুর হত্যাতাণ্ডে উদ্ধার আরও দেহাংশ, কাটা হাতের সন্ধানে চলছে তল্লাশি
বারুইপুর হত্যাতাণ্ডে উদ্ধার আরও দেহাংশ, কাটা হাতের সন্ধানে চলছে তল্লাশি
বারুইপুরে দিল্লির মেহেরৌলি হত্যাকাণ্ডের ছায়া। নৌসেনা কর্মীকে হত্যা করার পর তাঁর দেহ টুকরো টুকরো করে বারুইপুরের একাধিক জায়গায় ছড়িয়ে দেওয়া হয়। রবিবার পুলিশ তল্লাশি চালিয়ে আরও একটি দেহ উদ্ধার করেছে। কোমরের অংশ উদ্ধার করা হয়েছে। আরও দুটি হাতের সন্ধানে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।

উদ্ধার আরও দেহাংশ উদ্ধার
প্রাক্তন নৌসেনাকর্মীকে খুন করে তাঁর দেহ ৬ টুকরো করে জঙ্গলে ফেলে এসেছিল ছেলে। ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই প্রবল চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বারুইপুরে। কীভাবে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড ঘটল তা জানতে পেরে চমকে গিয়েছে পুলিশও। নৌসেনাকর্মী বাবার দেহের ৬ টুকরো করে বারুইপুরেই একটি পরিত্যক্ত জায়গায় ফেলে এসেছিল ছেলে। রবিবার তাঁকে নিয়ে গিয়েই দেহাংশের সন্ধানে তল্লাসি চালায় পুলিশ। জঙ্গলের মধ্যে থেকে একটি দেহাংশ উদ্ধার করা হয়েছে। কোমরের অংশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সেটি ফরেন্সিক তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এখনও নিখোঁজ ২টি অংশ। দুটি হাত পাওয়া যাচ্ছে না। তার সন্ধানে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।

বাবার দেহ টুকরো করতে সাহায্য করেছিল মা
পুলিশি জেরায় চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। পুলিশি জেরায় নৌসেনা কর্মীর ছেলে জানিয়েছে বাবাকে শ্বাসরোধ করে খুন করে সে। তারপর দেহ লোপাট করতে মায়ের সাহায্য নিয়েছিল সে। বাড়ির শৌচাগারে বাড়িতে থাকা কাঠের কাজের করাত দিয়ে বাবার দেহের ৬ টুকরো করেছিল সে। তারপরে মাকে সাইকেলের পিছনের সিটে বসিয়েই বাবার দেহাংশ পুকুরে ফেলে এসেছিল সে। তারপর আরও ২ বার বাবার দেহাংশ ফেলে এসেছিল সে।

আরও দেহাংশ উদ্ধার
খুনের ঘটনা ধামাটারা দিতেই একেবারে পরিকল্পনা করে থানায় বাবা উজ্জ্বল চক্রবর্তীর নামে নিখোঁজ ডায়রি করে এসেছিল ছেলে। ঘটনার কথা প্রকাশ্যে আসতেই চমকে ওঠেন প্রতিবেশীরা। বৃহস্পতিবার বারুইপুরের মল্লিকপুরে একটি পুকুর থেকে উজ্জ্বল বসুর প্লাস্টিকে মোড়া মাথা এবং কোমরের উপরের অংশ। দেহের বাকি অংশের হদিশ পায়নি পুলিশ। রবিবার তল্লাশি চালিয়ে স্থানীয় একটি জঙ্গল থেকে উজ্জ্বল চক্রবর্তীর কোমরের অংশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে এখনও কাটা হাতটি তারা পায়নি। তার সন্ধানে তল্লাশি চলছে।

কেন এই নারকীয় খুন
কী এমন ঘটেছিল যে তার জন্য এই বাবে নারকীয় হত্যাকাণ্ড ঘটল। সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখ্য উজ্জ্বল বসুর স্ত্রী। তিনি প্রকাশ্যই দাবি করেছেন চরম অত্যাচার করতেন উজ্জ্বল বসু। মারধর করতেন তিনি। আর সহ্য করতে পারছিলেন না তাঁরা। উজ্জ্বল বসুর ছেলে অভিযোগ করেছেন তাঁর পলিটেকনিক কলেজের ফি েদওয়া নিয়ে মারধর করছিলেন। তারপরেই বাবাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে শ্বাসরোধ করে খুন করে।












Click it and Unblock the Notifications