নৈহাটির বড়মা কাউকে ফেরান না, ১০০ ঘণ্টা ধরে এবার ভোগ- প্রসাদ বিলি
নৈহাটির বড়মা কাউকে ফেরান না। দূর দূরান্ত থেকে লাখো মানুষ এসে হাতজোড় করেন বড়মার সামনে। আর এবার তো মহা ধুমধাম ব্যাপার। এবারে ১০০ বছরে বড়মার পুজো। আর সেই পুজো ঘিরে লক্ষ লক্ষ ভক্তের মধ্যে উৎসাহ - উদ্দীপনা দেখা গেল।
এবার ভোগপ্রসাদ বিতরণের ক্ষেত্রেও বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে। ১০০ বছরে এবার নৈহাটির বড় মায়ের পুজো। আর সেজন্য ১০০ ঘণ্টা ধরে প্রসাদ বিতরণ করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, পুজো হওয়ার পর ভোগ, ফলপ্রসাদ বিতরণ করা হয়। এবার ১০০ ঘণ্টা ধারাবাহিকভাবে ফল, ভোগপ্রসাদ বিতরণ করা হবে। আজ সোমবার থেকে সেই প্রসাদ বিতরণ শুরুও হয়ে গিয়েছে।

বড়মার নিরঞ্জনযাত্রার আগে পর্যন্ত এই প্রসাদ বিতরণ হবে। রবিবার রাত পৌঁনে ১২ টার পর শুরু হয় পুজো। নির্দিষ্ট নিয়ম আচারঅনুষ্ঠান মেনে বড়মার পুজো অনুষ্ঠিত হয়। কথিত আছে, নৈহাটির বড়মা অত্যন্ত জাগ্রত। তিনি কখনওই কোনও মানুষকে ফেরান না। বহু মানুষ দূরদূরান্ত থেকে বড়মার চরণে এসে মানত করেন।
জানা গিয়েছে, প্রতি বছর শয়ে শয়ে এসে মানত করেন পুজোর সময়। বহু মানুষ দণ্ডি কাটেন। এবারও পুজোর রাতে শ'খানেক মানুষ দণ্ডি কেটেছেন বড়মার চরণতলে। মানত করেছেন বহু মানুষ। রবিবার সন্ধ্যার পর থেকেই অসংখ্য মানুষ, ভক্তের ঢল নেমেছিল নৈহাটিতে।
বড়মাকে দেখার জন্য রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সাধারণ মানুষ, ভক্তবৃন্দ আসেন। উত্তর ২৪ পরগনা ও নদিয়া এই দুই জেলার মধ্যে বড়মার নাম ও প্রচার অনেকটাই বেশি। দুই জেলার অসংখ্য মানুষ বড়মাকে একবার চোখের দেখার জন্য হাজির হন। বীরভূম, বর্ধমান, আসানসোল সহ দক্ষিণবঙ্গের বহু জেলা থেকে আসেন সাধারণ মানুষ।
বড়মার উচ্চতা ২৪ ফুট। নীকষ কালো বর্ণের বড়মা পুজোর দিনে সোনা, রুপোর গয়নায় সেজে ওঠেন। এবার বড়মায়ের মন্দিরে বিগ্রহ স্থাপন করা হয়েছে। এর আগে মন্দিরের ভিতর বড়মা ছবির পূজিত হতেন।












Click it and Unblock the Notifications