Mithun Chakroborty: বিজেপি কাউকে কিছু শেখাচ্ছে না, এই আওয়াজ থামবে না, সন্দেশখালি নিয়ে হুঙ্কার মিঠুনের
সন্দেশখালি নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ মিঠুন চক্রবর্তীর। তিনি অভিযোগ করেছেন সন্দেশখালিতে বিজেপি গেলে সত্যিটা প্রকাশ্যে চলে আসবে সেকারণে তাঁদের যেতে দেওয়া হচ্ছে। সেখানে যে আওয়াজ উঠেছে সেটা বিজেপি কাউকে শিখিয়ে দেয়নি। এই আওয়াজ কোনও ভাবেই বন্ধ হতে দেওয়া যাবে না।
আজ বিজেপির হাই পাওয়ার কমিটির সন্দেশখালি অভিযান ঘিরে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। বিজেপির প্রতিনিধি দলে ছিলেন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অন্নপূর্ণা দেবী, প্রতিমা ভৌমিক, সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো। রাজ্যের পক্ষ থেকে ছিলেন বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পলও। বিজেপির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম সেখানে পৌঁছনো মাত্র কিন্তু সন্দেশখালিতে ঢোকার আগেই রামপুরে তাঁদের আটকে দেওয়া হয়।

সেখানে পুলিশের সঙ্গে রীতিমতো ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায় বিজেপি কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে। কিছুতেই পুলিশ তাঁদের সন্দেশখালিতে যেতে দেয়নি বলে অভিযোগ। শেষে দীর্ঘক্ষণ পুলিশের সঙ্গে বচসা এবং ধস্তাধস্তির পরে পুলিশ তাঁদের ফিরে যেতে বাধ্য করে। ফোনে তাঁরা কথা বলেন সন্দেশখালির মহিলাদের সঙ্গে। বিজেপি প্রতিনিধি দল অভিযোগ করেছে মহিলা বিজেপি কর্মী সমর্থকদের উপর অত্যাচার করছে পুলিশ।
সন্দেশখালিতে যখন বিেজপির প্রতিনিধি দলের সঙ্গে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে ঠিক তখনই সাংবাদিক বৈঠক করে বিস্ফোরক অভিযোগ করেন বিজেপির তারকা নেতা মিঠুন চক্রবর্তী। ছবিতে শ্যুটিংয়ের জন্য এখন তিনি কলকাতায় রয়েছেন। কয়েকদিন আগেই অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। যদিও দুদিন পরেই তিনি ছাড়া পেয়ে যান। সাংবাদিক বৈঠকে মিঠুন চক্রবর্তী অভিযোগ করেছেন, সেখানে অন্য কোনও রাজনৈতিক দল গেলে সত্যিটা ফাঁস হয়ে যেতে পারে। সেকারণেই কাউকে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না সন্দেশখালিতে। কোন সত্যি গোপন করতে চাইছে সরকার এই নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
সেই সঙ্গে বিজেপি নেতা দাবি করেছেন, যাঁরা সন্দেশখালিন আন্দোলনের েনপথ্য বিজেপির কথা বলছেন তাঁরা মিথ্যে কথা বলছেন। সেখানে বিজেপি কাউকে কিছু শিখিয়ে দেয়নি। নিজে থেকে আওয়াজ উঠেছে সন্দেশখালিতে। সেই আওয়াজ বন্ধ হতে দেওয়া যাবে না। বিজেপি তাঁদের পাশে আছে। তিনি নিজেও নাকি সন্দেশখালি যেতে চেয়েছিলেন কিন্তু তাঁকে যেতে দেওয়া হয়নি।
আজও উত্তাল হয়ে রয়েছে সন্দেশখালি। দফায় দফায় বিজেপি এবং কংগ্রেস কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে বচসা হচ্ছে পুলিশের। বিজেপির পর কংগ্রেসের প্রতিনিধিদল হাজির হয়েছে সেখানে। তারাও বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন। নেতৃত্বে রয়েছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। তাঁকেও আটকে দেওয়া হয়। রাস্তায় বসে পড়ে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন অধীর চৌধুরী।












Click it and Unblock the Notifications