বাংলায় কোন পুরসভার ভোট কবে, প্রশাসনিক বৈঠক থেকে পরিষ্কার বার্তা দিলেন মমতা
উত্তর ২৪ পরগনার প্রশাসনিক বৈঠক থেকে পুরভোটের বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলায় যে আগে কলকাতা ও হাওড়া পুরসভার ভোট হবে, তারপর বাকি পুরসভা ভোট নিয়ে ভাববে রাজ্য তা স্পষ্ট করে দিলেন বুধবার।
উত্তর ২৪ পরগনার প্রশাসনিক বৈঠক থেকে পুরভোটের বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলায় যে আগে কলকাতা ও হাওড়া পুরসভার ভোট হবে, তারপর বাকি পুরসভা ভোট নিয়ে ভাববে রাজ্য তা স্পষ্ট করে দিলেন বুধবার। সেইসঙ্গে তিনি পুরসভাগুলিকে নির্দেশ দেন নাগরিক পরিষেবায় কীভাবে কাজ করতে হবে।

রাজ্যের তরফে কলকাতা ও হাওড়া পুরসভায় ভোটের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল ১৯ ডিসেম্বর। তা কার্যত মেনে নিয়েছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। কিন্তু বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়নি। এরই মধ্যে বিজেপি দাবি করে সমস্ত পুরসভার ভোট একসঙ্গে করতে হবে। নিদেনপক্ষে একই দিনে গণনা করতে হবে রাজ্যের সমস্ত পুরসভা ভোটের।
সমস্ত পুরসভার ভোটে একইসঙ্গে কররা দাবিতে বিজেপির পক্ষ থেকে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা করেন প্রতাপ বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে কলকাতা হাইকোর্ট কমিশনের কাছে জানতে চায়, কেন একসঙ্গে সমস্ত পুরসভার ভোট করা হচ্ছে না। তা হলফনামা দিয়ে জানানোর কথা বলে কমিশন বলে, এই মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পুরভোটের বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে না।
কলকাতা ও হাওড়া পুরভোট নিয়ে যখন সংশয় দেখা দিয়েছে, তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মধ্যমগ্রামে প্রশাসনিক বৈঠক থেকে জানালেন, কলকাতা ও হাওড়া পুরসভাৎ ভোট আগে হবে। তারপর ভাবা হবে বাকি পুরসভার ভোট নিয়ে। তা করোনা পরিস্থিতি বিবেচনা করেই করা হবে বলে জানান তিনি।
তিনি সেইসঙ্গে পুরসভার প্রশাসকদের একযোগে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন। নাগরিক পরিষেবা সর্বাগ্রে দিতে হবে। সেখানে কোনও বাহানা শোনা হবে না। পুর প্রশসাকদের তিনি চোখ খুলে রাস্তাঘাটে চলার পরামর্শ দিয়েছেন এদিন প্রশাসনিক বৈঠক থেকে। তিনি বলেন, আবর্জনা পরিষ্কার করতে হবে। ড্রেন পরিষ্কার করার উপযুক্ত সময় এখন। এখন বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। এই কাজ করে ফেললে বর্ষার সময় সমস্যা থাকবে না। সমস্ত খাল দ্রুত সংস্কার করা হবে বলেও তিনি জানান।
তারপর রাস্তাঘাট সুন্দর রাখার পরামর্শও দেন মুখ্যমন্ত্রী। রাস্তাঘাট সুন্দর থাকলে সবারই দেখতে ভালো লাগে। প্রত্যেক পুরসভায় একজন করে পর্যবেক্ষক থাকবে। রাস্তায় সমস্যা হলে পূর্ত দফতরকে তা জানাতে হবে। রাস্তাঘাট মেরামত থেকে শুরু করে সৌন্দর্যায়নে নজর দিতে হবে সমস্ত পুরসভাকে। এলাকার রাস্তাঘাট যেন অন্ধকার না থাকে। কোথাও কোনও সমস্যা থাকলে দ্রুত সমাধান করে ফেলতে হবে।
মমতা এদিন সাফ করে দেন, কোনও কাজ ফেলে রাখা যাবে না। পুরভোটের আগে মমতা প্রশাসনিক বৈঠক থেকে একপ্রকার পুরনির্দেশ দিয়ে গেলেন। সেইসঙ্গে তিনি জানালেন, সুন্দরবনকে আলাদা জেলা করা হবে। ফলে সুন্দরবনের উন্নয়ন ত্বরাণ্বিত হবে। মমতা জানান, সমস্ত গ্রামে ২০২৪ সালের মধ্যে জলের বন্দোবস্ত করা হবে।












Click it and Unblock the Notifications