Lok Sabha Election 2024: মমতা রেলমন্ত্রী থাকাকালীন নিয়োগ দুর্নীতি! বীজপুরে বোমা ফাটালেন অর্জুন সিং
Lok Sabha Election 2024: লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে গিয়ে বোমা ফাটালেন অর্জুন সিং। নিয়োগ দুর্নীতিতে ইতিমধ্যেই জেলে তৃণমূলের একাধিক হেভিওয়েট থেকে শুরু করে নানা স্তরের নেতারা।
শিক্ষা দফতরের একাধিক প্রাক্তন পদাধিকারী থেকে শুরু করে প্রাক্তন উপাচার্যরাও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলির দ্বারা গ্রেফতার হয়ে গারদের ভিতর। এবার আরও এক দুর্নীতির দিকে আলোকপাত করলেন ব্যারাকপুরের বিজেপি প্রার্থী।

আজ বীজপুরে বিশাল বর্ণাঢ্য মিছিলে পা মেলান অর্জুন সিং। লোকসভা নির্বাচনের টিকিট না পেয়ে ২০১৯ সালে তিনি বিজেপিতে যোগ দিয়ে ব্যারাকপুরের সাংসদ হয়েছিলেন। আবার বিধানসভা ভোটের কয়েক মাস পরেই তিনি তৃণমূল কংগ্রেসে প্রত্যাবর্তন করেন।
ব্রিগেডে তৃণমূলের জনগর্জন সভার মঞ্চেও ছিলেন। কিন্তু আশ্বাস সত্ত্বেও তৃণমূল তাঁকে প্রার্থী না করায় ফের ফুল বদলান অর্জুন। দিল্লিতে গিয়ে বিজেপিতে যোগদান করে তিনি এবারের লোকসভা নির্বাচনে ব্যারাকপুরেই বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন। সকাল থেকে রাত অবধি ঝড় তুলছেন প্রচারে।
অর্জুনের বডি ল্যাঙ্গুয়েজে আত্মবিশ্বাসের ছাপ স্পষ্ট। এদিন তিনি ভাষণ দিতে গিয়ে বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন রেলমন্ত্রী ছিলেন তখন চাকরি বিক্রি হতো। বোর্ড লাগানো থাকতো। চাকরি কত টাকায় বিক্রি হয়েছে তা সকলেই জানেন। পাশে গঙ্গা রয়েছে। সেখান থেকেও বালি চুরি হচ্ছে।
অর্জুনের অভিযোগ, রেলের কোয়ার্টারগুলি বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। ব্যবসায়ীদের থেকে তোলা নেওয়া হচ্ছে। হকারদের মেরে তুলে দেওয়া হয়েছে। কারা এ সব করছে সকলেই জানেন। এই লোকসভা নির্বাচনের ফল বের হলেই অত্যাচারী শাসকের দিন শেষ হবে।
অর্জুনের কথায়, অনেকে ভাবতে পারেন লোকসভা নির্বাচনের ফলে সেটা কীভাবে সম্ভব? বাংলার মানুষ বিজেপিকে ৩৫টি আসনে জেতাবে, তার ফলে এই সরকার থাকার অধিকার হারাবে। পার্থ ভৌমিক (ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী)-দের গুন্ডারাজ শেষ হবে।
অর্জুন এদিন বলেন, বলা হয়েছিল বীজপুরের বিধায়ক সুবোধ অধিকারী থাকায় অর্জুনকে ঢুকতে দেওয়া হবে না। তাপরও ওই এলাকায় বারবার পৌঁছে সভা, কর্মসূচি চালিয়েছি। আমি যমরাজ ছাড়া কাউকে ভয় পাই না। আগে এঁরা যখন সবাই সিপিআইএম করতেন, ক্ষমতা ছিল না তৃণমূলের মিটিং করার, আমি ২০০৪ থেকে এসে মিটিং করেছি। ব্যারাকপুরে মঙ্গ পাণ্ডে বিদ্রোহ করেছিলেন। এবার পিসি-ভাইপোর কোম্পানির বিরুদ্ধে আন্দোলনও ব্যারাকপুর থেকেই শুরু হয়েছে। আগামী দিন কীভাবে মমতা সরকারের পতন হবে তা নির্ধারণ করবে ব্যারাকপুরই।












Click it and Unblock the Notifications