তোলা তুলতো পুলিশ, জানতেন খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ, দত্তপুকুরে বাজি কারখানা বিস্ফোরণে তৃণমূল যোগ
আবারও বেআইনি বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ। এগরা কাণ্ডে সাড়ে ৩ মাসের মধ্যে ঘটল আবারও সেই ভয়াবহ বিস্ফোরণ। এবারও কাঠগড়য় সেই তৃণমূল কংগ্রেসই। স্থানীয় তৃণমূল কর্মী সামসুল আলি। পুলিশ এবং প্রশাসনের মদতেই তিনি বেআইনি বাজি কারখানা চালাতেন বলে জানা গিয়েছে।
এই বিস্ফোরণে এখনও পর্যন্ত ৮ জনের দেহ উদ্ধার করা গিয়েছে। আরও একাধিক ব্যক্তির দেহ ধ্বংসস্তূপের নীচে চাপা পড়ে রয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের। ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন স্থানীয়বাসিন্দারা। তাঁরা অভিযোগ করেছেন পুলিশ এই বাজি কারখানা থেকে তোলা তুলত। এমনকী খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষও নাকি জানতেন এই বাজি কারখানার কথা।

এগরায় খাদিকুল গ্রামে বেআইনি বাজি কারখানায় ১২ জনের মৃত্যু হয়েছিল। তারপরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে সেই গ্রামে গিয়ে বিস্ফোরণের পর ক্ষমা চেয়ে এসেছিলেন। এবং বািজ তৈরির জন্য গ্রিন ক্লাস্টার তৈরি করা হবে বলে জানিয়েছিলেন। কিন্তু সেই ঘটনার ঠিক সাড়ে তিন মাসের মধ্যে ফের বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটল দত্তপুকুরে।
এদিকে রথিন ঘোষ জানিয়েছেন এই ঘটনার নেপথ্যে আইএসএফ যোগ রয়েছে। বাজি কারখানার মালিক খুদে ওরফে সামসুল আলি আইএসএফ সমর্থক বলে দাবি করেছেন। বাজি নীলগঞ্জের যেখানে তৈরি হয় সেখানে কোনও বাজি কারখানা আর নেই বলে পাল্টা দাবি করেছেন খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ। তিনি ঘটনাস্থলে যাবেন বলে জানিয়েছেন। বাজি কারখানায় বিস্ফোরণের ঘটনা নিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ভাবে চক্রান্ত করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।
দত্তপুকুরে বাজি কারখানায় বিস্ফোরণের তীব্রতা এতোটা ছিল যে আশপাশের বাড়ি গুঁড়িয়ে গিয়েছে। দীর্ঘ এলাকা জুড়ে একাধিক বাড়িতে ফাটল দেখা দিয়েছে। গোটা এলাকা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। বিক্ষোভে ফেটে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এখনও পর্যন্ত ৮ জনের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আরও দেহ ধ্বংসস্তূপের মধ্যে পড়ে রয়েছে বলে দাবি। উদ্ধারকাজ শুরু হয়েছে। অন্যদিকে প্রায় ৫-৬ জনকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
কলকাতায় হিট অ্যান্ড রান কেস, রাতের শহরে ঘুমন্ত ফুটপাথবাসীকে পিষে দিয়ে গেল গাড়ি












Click it and Unblock the Notifications