কলকাতা পুলিশ 'অতি সক্রিয়'? অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ আরাবুল ইসলাম
তিনি এক সময় ছিলেন তৃণমূলের ডাকসাইটে নেতা। ভাঙড়ের আরাবুল ইসলাম এখন জেলে। এবার সেই আরাবুল ইসলামই আদালতের দ্বারস্থ হলেন। তাও আবার কলকাতা পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে!
লোকসভা নির্বাচনের আগে পুলিশ অতিসক্রিয়তা দেখাচ্ছে। পুলিশ তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে। এমনই অভিযোগ করলেন আরাবুল ইসলাম। আর সেজন্য কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থও হয়েছেন এই তৃণমূল নেতা। মামলা করার অনুমতি দিয়েছে আদালত। বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত এই মামলা শুনবেন৷

২০২৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময় থেকেই আরাবুল ইসলামের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠতে থাকে। আইএসএফকে মনোনয়ন জমা দিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ছিল। আইএসএফ কর্মী খুন হন। এলাকায় বোমাবাজিও হয়। ভাঙরের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী সরাসরি আরাবুল ইসলামের দিকে অভিযোগ তোলেন। পুলিশে অভিযোগ দায়ের করা হয়।
সেই সব অভিযোগের ভিত্তিতেই আরাবুল ইসলামকে পুলিশ গ্রেফতার করে। শাসক দলের অন্যতম নেতা আরাবুল ইসলাম। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক সময় এই আরাবুলকেই 'তাজা নেতা' বলেছিলেন। পুলিশ একসময় আরাবুল ইসলামের কথাতেই এলাকায় চলত। এমন অভিযোগই ছিল বিরোধীদের। সেই 'তাজা নেতা'ই এখন জেলে।
আদালতের নির্দেশে জেল হেফাজতে রয়েছেন আরাবুল ইসলাম। তাও বেশ কয়েক মাস হয়ে গেল, তিনি জেলে। এই অবস্থায় তিনি কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। নির্বাচনের আগে পুলিশি অতি সক্রিয়তার অভিযোগ তুলে আদালতের দ্বারস্থ আরাবুল ইসলাম।
গ্রেফতার করার পর, আরও দুটো মামলায় যুক্ত করা হয় আরাবুলকে। কলকাতা পুলিশের কাছে জানতে চাওয়া হয় মোট কটা কেস রয়েছে ভাঙরের তৃণমূল নেতার নামে? কিন্তু পুলিশের পক্ষ থেকে কোনও তথ্য দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ।
পুলিশ অতি সক্রিয় হয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে আরাবুলকে। এই মর্মেই মামলা দায়ের করার আবেদন জানানো হয়। মামলা দায়ের করার অনুমতি দিলেন বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত। বৃহস্পতিবার ৪ এপ্রিল শুনানির সম্ভাবনা।












Click it and Unblock the Notifications