"এটা কি ভোট হচ্ছে?", কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে বরাহনগরে প্রশ্ন তুললেন খোদ সজল ঘোষ
যত বেলা গড়িয়েছে উত্তপ্ত হয়েছে বরাহনগর বিধানসভা এলাকা। ওই এলাকায় উপনির্বাচন হচ্ছে আজ শনিবার। দমদম লোকসভা কেন্দ্রের সঙ্গেই এই বিধানসভা কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ চলছে। কিন্তু অশান্তি দেখা গেল সময় এগোতেই। কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপর ভরসা রাখতে পারলেন না বিজেপি প্রার্থী সজল ঘোষ। ক্ষোভে ফেটে পড়লেন তিনি।
বরাহনগর বিধানসভা এলাকায় একাধিক জায়গায় বিক্ষিপ্ত গন্ডগোলের খবর পাওয়া গিয়েছে। বিজেপি প্রার্থী বেশ কয়েকটি জায়গায় ভুয়ো ভোটার ধরেছেন। তবে সেই সব ব্যক্তিরা পালিয়ে গিয়েছেন। তারপরও পুলিশ প্রশাসন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। কেন্দ্রীয় বাহিনীও সেই অর্থে গা ছাড়া মনোভাব নিয়ে রেখেছে। এমনই অভিযোগ সজল ঘোষের।

কেন্দ্রীয় বাহিনীকে অপদার্থ বলে কটাক্ষ করেছেন সজল ঘোষ। কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন। এভাবে কি ভোট হয়? সেই প্রশ্ন প্রকাশ্যে বলেছেন সজল ঘোষ। তাই নিয়ে যথেষ্ট আলোড়ন রাজনৈতিক মহলে। তৃণমূল কংগ্রেস এলাকা দখল করে ভোট করাচ্ছে। সেই অভিযোগ বারবার করছেন বিজেপি ও বাম প্রার্থী।
বরাহনগর এলাকায় বিজেপি কর্মীরা আক্রান্ত হয়েছেন তৃণমূলের হাতে। দুপুরের পরে বিজেপির পার্টি অফিস ভাঙচুর হয়। বিজেপি নেতা কৌস্তূভ বাগচি বিক্ষোভের মুখে পড়েছিলেন। বিভিন্ন জায়গায় সজল ঘোষ গিয়েছেন। কিন্তু তাকে প্রত্যেকবার তৃণমূল কংগ্রেস আটকেছে। শাসক দলের বিরুদ্ধে এমনই অভিযোগ।
বিজেপি প্রার্থী শান্ত এলাকা অশান্ত করতে এসেছেন। ভোটারদের প্রভাবিত করছে। এই অভিযোগ তৃণমূলের পক্ষ থেকে বার বার করা হয়েছে। 'সজল ঘোষ গো ব্যাক' স্লোগান তোলা হয়। সজল ঘোষ এলাকা ছাড়তে রাজি ছিলেন না। সেই সময় তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা রীতিমতো আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে। পুলিশ, কেন্দ্রীয় বাহিনী সাময়িকভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।
কেন্দ্রীয় বাহিনী তাহলে কোন ভূমিকা পালন করছে? কেন এত অশান্ত বরাহনগর এলাকা? প্রশ্ন তুলছে ওয়াকিবহাল মহল। খোদ বিজেপি প্রার্থীও বাহিনীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ চেপে রাখতে পারেননি।












Click it and Unblock the Notifications