কুলতলিতে টোটোর মধ্যে ছাত্রীকে নিগ্রহের অভিযোগ, পুলিশ ধরল দুজনকে
আরজি কর কাণ্ডে রাজ্য রাজনীতি উত্তাল৷ দেশজুড়েও নিন্দার ঝড় উঠেছে। পশ্চিমবঙ্গ সরকার নারীদের সুরক্ষায় অপরাজিতা আইন আনছে। বিধানসভায় বিলও পাশ হয়ে গিয়েছে৷ কিন্তু নারী নিগ্রহ আরজি কর ঘটনার পর কি কমেছে?
সেই প্রশ্ন আরও একবার উসকে গিয়েছে। কারণ, রাজ্যে আরও একটি ঘটনা। এবার এক স্কুলছাত্রীর সঙ্গে অভব্যত আচরণের অভিযোগ উঠল। টোটোর মধ্যে এক ছাত্রীর শ্লীলতাহানি করা হল? দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলতলিতে এই ঘটনা ঘটেছে।

প্রতীকী ছবি
শুক্রবার সকালে এই ঘটনা ঘটেছে। টিউশন থেকে ফিরছিল দশম শ্রেণির ওই ছাত্রী৷ টোটোয় এক যুবক যাত্রী হিসেবে ছিল। ওই যুবকই ছাত্রীর সঙ্গে শ্লীলতাহানি করেছে। পরে বাড়ি গিয়ে ছাত্রী সব কথা জানায়। স্থানীয়দের সাহায্যে সেই টোটোর সন্ধান করা হয়৷ গাড়ি ও চালককে পাওয়া যায়।
কুলতলি থানায় পরিবারের তরফ থেকে লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়৷ গতকাল রাতেই পুলিশ ওই যুবককে পাকড়াও করে। অভিযোগ অস্বীকার করেছে ওই যুবক। পরে তাকে গ্রেফতার করা হয়৷ ঘটনায় ওই যুবককেও গ্রেফতার করা হয়েছে।
হুগলির হরিপালেও এক নাবালিকা যৌন হেনস্থার শিকার হয়েছে। এমনই অভিযোগ সামনে উঠেছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে। মেডিকো - লিগাল মতামত নেওয়া হচ্ছে৷ এই ঘটনায় কোনও গুজব ছড়ালে কঠিন সাজা দেওয়া হবে৷ এই বক্তব্য পুলিশের তরফ থেকে বলা হয়েছে।
আরজি কর হাসপাতালের ঘটনা নাড়িয়ে দিয়েছে সমাজব্যবস্থাকে। তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণের পর খুন করা হয়েছে। সরকারি হাসপাতালের ভিতরে অকথ্য শারীরিক নিগ্রহ চলেছে তার উপরে। মেয়েদের উপর যারা অত্যাচার করে, তাদের কঠোর সাজা হওয়া উচিত। এমনই দাবি করেছেন আমজনতা। প্রতিবাদ হচ্ছে রাজ্যের সর্বত্র।
কিন্তু তারপরেও মেয়েদের উপর অত্যাচারের ঘটনা থামছে না। গত এক মাসে একাধিক নিগ্রহের ঘটনা সামনে এসেছে। এবার কুলতলি ও হরিপালের ঘটনা।












Click it and Unblock the Notifications