সন্দেশখালিতে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস, পথে প্ল্যাকার্ড হাতে বিক্ষোভ দেখালো তৃণমূল
সন্দেশখালি সোমবার সরগরম। রাজ্যপাল সিভি আনন্দ ঘোষ কলকাতা থেকে রওনা হয়েছিলেন। ধামাখালির আগে তিনি কার্যত তৃণমূলের বিক্ষোভ প্রতিবাদের মুখে পড়লেন। রাস্তার দু'ধারে বহু মানুষ উপস্থিত ছিলেন প্ল্যাকার্ড হাতে।
সন্দেশখালি ফুটন্ত কড়াইয়ের উপর রয়েছে। একাধিক জায়গায় সাধারণ মানুষ পথে নেমেছে। শেখ শাহজাহান, শিবু হাজরাদের গ্রেফতারের দাবিতে মানুষ কার্যত জোর দাবি তুলছে। একের পর এক অত্যাচার, নিগ্রহের ঘটনা সামনে চলে আসছে।

রাজ্যপালকে বার্তা দিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সন্দেশখালি যাওয়ার জন্য শুভেন্দু রাজ্যপালকে ২৪ ঘন্টা সময় দিয়েছিলেন। রবিবার তিনি সন্দেশখালি যাননি। আজ সোমবার রাজভবন থেকে রাজ্যপালের কনভয় সন্দেশখালির উদ্দেশ্যে রওনা হয়।
উত্তর ২৪ পরগনার ধামাখালি এলাকার আগেই পুলিশের ব্যারিকেড রয়েছে। রাজ্যপালের কনভয় ছেড়ে দেওয়া হয়। কিন্তু রাজ্যপালের নিরাপত্তা রক্ষীরা, এছাড়াও সংবাদমাধ্যমের গাড়ি ও প্রতিনিধিদের আটকে দেওয়া হয়। তাদের কোনওভাবেই সন্দেশখালির উদ্দেশ্যে যেতে দেওয়া হবে না। একথা বলা হয়েছিল।
#WATCH | TMC supporters hold placards against West Bengal Governor as his convoy passes Sandeshkhali area pic.twitter.com/2U9v0yVqeR
— ANI (@ANI) February 12, 2024
১০ মিনিটের উপর সেই ধামাখালি এলাকাতে বাদানুবাদ চলে। রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের কাছে এই খবর যায়। তিনি তৎক্ষণাৎ পুলিশের সঙ্গে এই বিষয়ে কথা বলেন। তারপরেই সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের ছেড়ে দেওয়া হয়। রাজ্যপালের নিরাপত্তা রক্ষীরাও রওনা হন সেখান থেকে।
এই খবর লেখার সময় রাজ্যপাল সুন্দরবন পর্যটক আবাসে রয়েছেন। সাময়িক বিশ্রামের পর তিনি সন্দেশখালি রওনা দেবেন। এখান থেকে জলপথে সন্দেশখালি পৌঁছতে হয়। বোটে করে যাবেন রাজ্যপাল। সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখবেন তিনি। সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলবেন সিভি আনন্দ বোস।
রাজ্যপাল যখন ধামাখালি যাচ্ছেন, তখন রাস্তার দুপাশে বহু মানুষকে দেখতে পাওয়া যায়। তারা প্ল্যাকার্ড হাতে রাজ্যপালকে বার্তা দিচ্ছিলেন। কেন্দ্রের ১০০দিনের পাওনা টাকা মিটিয়ে দেওয়ার দাবি তোলা হয়। স্লোগান চলছিল একইভাবে। তৃণমূলের পক্ষ থেকে এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। এমনই খবর প্রাথমিকভাবে এসেছে।
আজ সোমবার সন্দেশখালিতে শুভেন্দু অধিকারী বিজেপির প্রতিনিধিরাও যাবেন। তবে তাদের সন্দেশখালি যেতে দেওয়া হবে না। এমন ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে। গতকাল মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় সহ সিপিএমের প্রতিনিধিদেরও একইভাবে আটকে দেওয়া হয়েছিল।












Click it and Unblock the Notifications