প্রাক্তন সিপিএম বিধায়ক নিরাপদ সর্দারকে ছাড়তে হবে, বাঁশদ্রোণী থানার সামনে বিক্ষোভ
নিরাপদ সর্দারকে আটক করে রেখেছে কলকাতা পুলিশ। বাঁশদ্রোণী থানার পুলিশ রবিবার সকালে তাঁকে পাকড়াও করে নিয়ে যায়। তাই নিয়ে শুরু হয়ে গিয়েছে রাজনৈতিক বিক্ষোভ - উত্তেজনা। সিপিএমের পক্ষ থেকে বাঁশদ্রোণী থানার সামনে সকাল থেকেই বিক্ষোভ, ধর্না কর্মসূচি চলছে।
থানার ভিতরেও সিপিএম নেতারা উপস্থিত। সেখানেও তারা বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন। থানার বাইরে রাস্তায় বসে রয়েছেন সিপিএমের নেতা কর্মী সমর্থকরা। দলের প্রাক্তন বিধায়ককে পরিকল্পিতভাবে গ্রেফতার করা হয়েছে। যাদের বিরুদ্ধে সন্দেশখালি কাণ্ডে অভিযোগ রয়েছে, তাদের পুলিশ ধরছে না। পরিকল্পনা করে নিরাপদ সর্দারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এমনই দাবি সিপিএম নেতৃত্বের।

এই বিষয়ে সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম সাংবাদিক বৈঠক করেছেন। তিনিও পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন। কাগজপত্র ছাড়া কীভাবে একজন মানুষকে পুলিশ আটক করতে পারে? সেই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। সম্পূর্ণভাবে পরিকল্পনা মাফিক এই কাজ হয়েছে। কী কারণে তাঁকে আটক করে রেখেছে পুলিশ? সেই সম্পর্কে কোনও বার্তা দেওয়া হচ্ছে না।
বসিরহাট থানার থেকে পুলিশ কাগজপত্র আনবে। সেই কাগজ পরবর্তীকালে দেখানো হবে। তৃণমূলের সঙ্গে আঁতাত করে পুলিশ কাজ করছে। এখনই দাবি সিপিএম নেতৃত্বের। দীর্ঘ সময় হয়ে গিয়েছে থানায় আটক রয়েছেন সিপিএমের প্রাক্তন বিধায়ক। তাঁকে পরিকল্পনা করে ফাঁসানো হয়েছে। কোনও সভ্য দেশে এই ঘটনা ঘটে না। সংবাদমাধ্যমের সামনে এমনই বক্তব্য রেখেছেন নিরাপদ সর্দার।
সিপিএম কর্মী- সমর্থকরা সকাল থেকেই বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন বাঁশদ্রোণী থানার সামনে। কিছুতেই তাঁকে থানা থেকে বসিরহাট নিয়ে যাওয়া যাবে না। তাঁকে অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে। এই দাবি সিপিএমের পক্ষ থেকে করা হচ্ছে। রাস্তায় বসে রয়েছেন সিপিএমের কর্মীরা। সিপিএমের প্রাক্তন বিধায়ক বাঁশদ্রোণী থানায় এলাকায় একটি বাড়িতে থাকেন।
রবিবার সকালে ওই বাড়িতে হানা দেয় পুলিশ। থানায় যেতে হবে বলে তাঁকে জানানো হয়। কী কারণে তাঁকে থানায় রাখা হচ্ছে? প্রশ্ন করেছিলেন প্রাক্তন বিধায়ক। কিন্তু পুলিশ কোনও কথা বলতে চায়নি। কোনওরকম কাগজও দেখানো হয়নি। বেলা ১০ টা নাগাদ পুলিশ ওই ভাড়াবাড়িতে গিয়েছিল। তারপর তাঁকে নিয়ে বাঁশদ্রোণী থানায় আসে।
এই খবর লেখাপ পর্যন্ত থানাতেই বসিয়ে রাখা হয়েছে সিপিএমের প্রাক্তন বিধায়ককে। এখনও কোনও কারণ পুলিশ দেখায়নি। সন্দেশখালিতে শেখ শাহজাহান রয়েছেন। তিনি কোথাও পালিয়ে যাননি। ইডির উপর আক্রমণের ঘটনার পরে প্রথম তিনিই এই দাবি করেছিলেন। চাঞ্চল্য ছড়িয়েছিল রাজনৈতিক মহলে। এই মুহূর্তে বাঁশদ্রোণী থানা কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে রয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications