Severe Cyclone Remal: উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার উপকূলে রেমালের দাপট শুরু? বহু জায়গা বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন
উপকূল এলাকার আবহাওয়া ক্রমেই খারাপ হচ্ছে। রবিবার দুপুর থেকেই ঘন কালো মেঘ আকাশ ঢেকে ফেলেছে। ঝোড়ো হাওয়া বইছে। সঙ্গে মাঝেমধ্যেই ভারী বৃষ্টি। অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় রেমালের দাপট কি তাহলে শুরু হয়ে গেল? সেই প্রশ্ন মনে ভয় ধরাচ্ছে সাধারণ মানুষের।
দক্ষিণ ২৪ পরগনার সুন্দরবন লাগোয়া বিস্তৃত অঞ্চলের পরিস্থিতি যথেষ্ট খারাপ। সাগর, নামখানা, কাকদ্বীপ, ফ্রেজারগঞ্জ, মথুরাপুর, ক্যানিং, ডায়মন্ড হারবার বিস্তীর্ণ অঞ্চলের সমুদ্র উপকূল এলাকা ঝড়ের কবলে পড়ে গিয়েছে। সঙ্গে চলছে মাঝারি বৃষ্টি।

বহু সাধারণ মানুষকেই নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। একাধিক জায়গায় গাছ ভেঙে পড়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। যোগাযোগ ব্যবস্থা বিকেল পর্যন্ত রয়েছে। কিন্তু ঝড় পরবর্তী সময়ে কী হবে? সেই সম্পর্কে একাধিক দুশ্চিন্তা থাকছে। ইতিমধ্যেই একাধিক রাস্তায় ঝড়ের দাপটে গাছ উপড়াতে শুরু করেছে।
উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গা, বসিরহাট, সন্দেশখালি, লেবুখালি সহ বিস্তীর্ণ এলাকায় ঝড়বৃষ্টি শুরু হয়ে গিয়েছে। যে সব জায়গায় বাঁধে ফাটল ছিল, সেগুলি মেরামতির কাজ চলছে বৃষ্টির মধ্যেই। ক্রমশ ঝড়ের গতিবেগ বাড়ছে। বিদ্যাধরী, ইছামতি নদীর জলে ঢেউ খেলতে শুরু করেছে। রায়মঙ্গল, মাতলা নদীতে জলোচ্ছ্বাস আগেই দেখতে পাওয়া গিয়েছে।
আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, সন্ধ্যা থেকে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে। সেই সময় ঝড়ের গতিবেগ প্রায় ১০০ কিলোমিটারের কাছাকাছি পৌঁছে যাবে। যত সময় এগোবে বাড়বে ঝড়ের ঝাপটা। তার সঙ্গে অতি ভারী বৃষ্টিপাত দেখা যাবে।
স্থলভাগের অনেকটাই কাছাকাছি চলে এসেছে সিভিআর সাইক্লোন রেমাল। সেই কারণে তার ভয়াল রূপের আঁচ পেতে শুরু করেছে স্থলভাগ। উপকূলবর্তী অঞ্চলগুলিতে মানুষজন প্রবল দুশ্চিন্তা ও ভয়ে রয়েছে। আবার সব কিছু ভেসে চলে যাবে না তো? এই প্রশ্ন বারবার ঘুরছে লোকমুখে।
দুপুরের পর থেকে বহু এলাকাতে বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে। কারণ, বিদ্যুতের খুঁটি যে কোনও সময় ভেঙে পড়তে পারে। বৃষ্টিতে আরও বড় দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা থাকবে সেক্ষেত্রে। অর্থাৎ সন্ধ্যা গড়ালেই বিস্তীর্ণ এলাকায় নিকষ আঁধার নামবে। তার সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া ও ভারী বৃষ্টি।












Click it and Unblock the Notifications