Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

Cyclone Remal: আয়লা থেকে আমফান হয়ে রেমাল, বাঁধভাঙা-ঘরছাড়া, সুন্দরবন রয়ে গিয়েছে সেই জায়গাতেই

আম্ফান থেকে রেমাল সুন্দরবনের অবস্থার বল হয়নি এক বিন্দুও। প্রতিবছর বর্ষাতে বা ঘূর্ণিঝড় হলেই ভেঙে পড়ে একের পর এক বাঁধ। ঘরছাড়া হতে হয় বাসিন্দাদের। এবারও তার অন্যথা হয়নি। সুন্দরবনেম মানুষের কাছে এটাই স্বাভাবিক হয়ে গিয়েছে।

কিন্তু এবার কি তাঁরা মেনে নেবেন বারবার এই পরিস্থিতি। আগামী ১ জুন সুন্দরবনে ভোট। তাতে কি বড় কাঁটা হয়ে দাঁ়ড়াবে এই রেমাল আফটার এফেক্ট। কারণ শাসক দল বারবার প্রতিশ্রুতি দিয়েও কোনও কাজ করেনি। এখনও পর্যন্ত সুন্দরবনের বাঁধগুলি পাকা করা হয়নি। মাটির উপরে ত্রিপল দিয়ে ঢেকে তাপ্পি দিয়ে কাজ সারা হয়েছে। প্রতিবার ঘূর্ণিঝড় এসে তছনচ করে যাওয়ার পরেই সরকার প্রতিশ্রুতি দেয় পাকা বাধ নির্মানের কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতি কাজে কোনওদিন পরিণত হয়নি।

Cyclone Remal

আয়লা থেকে আম্ফান। বর বড় ঝড়ের ঝাপটায় বারবার সুন্দরবনের মানুষকে ঘরছাড়া হতে হয়েছে। ঘড়ের দাপট থেকে বাঁচতে ফ্লাডসেন্টারে আশ্রয় নিতে হয়েছে তাঁদের। এবার তো ফ্লাড সেন্টারগুলির অবস্থাও সঙ্গীন ছিল। আলো নেই খাবার নেই। অন্ধকারে কোনও মতে ফ্লাড সেন্টারগুলিতে রাত কাটাতে হয়েছে

প্রতিবারই ঘুর্ণিঝড় কেটে যাওয়ার পর সরকার এসে প্রতিশ্রুতি দেয়। কিন্তু বাঁধ আর পাকা হয় না। বছরের পর বছর কেটে যায় একই ভাবে। ঘূর্ণিঝড় আসে ঘূর্ণিঝড় যায় কিন্তু সন্দরবনের সেই জায়গাতেই রয়ে যায়। এবার একেবারে শিয়রে ভোট। তারমধ্যে এই রেমালের দাপট। এবার কোনও কিছুই পাননি সুন্দরবনের বাসিন্দারা। গোসাবা, সন্দেশখালি থেকে শুরু করে হিঙ্গলগঞ্জ, কাকদ্বীপ, ফ্রেজারগঞ্জ বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষ ঘরছাড়া। ভেঙে গিয়েছে প্রচুর কাঁচা বাড়ি।

ঘূর্ণিঝড়ের সঙ্গে ভরা কোটালের জোড়া ফলায় বিপর্যস্ত অবস্থা সুন্দরবনবাসীর। এবার ত্রাণ শিবিরের ব্যবস্থাও মেেলনি তাঁদের। ঘুটঘুটে অন্ধকারে ফ্লাড সেন্টারে কাটিয়েছেন অনেকেই। আবার ত্রাণ শিবিরে গিয়েও মেলেনি খাবার। নিজের ঘর থেকে খাবার-জল নিয়ে গিয়ে থেকেছন তাঁরা। ভোটের মুখে এই রেমাল শাসক দলকে চাপের মুখে ফেলবে তাতে কোনও সন্দেহ নেই। ইতিমধ্যেই এই নিয়ে রাজনৈতিক চাপান উতোর শুরু হয়ে গিয়েছে।

কিন্তু ওই পর্যন্তই সুন্দরবনবাসীও বুঝে গিয়েছেন এখন তাঁদের ভরসা তাঁরাই। কোনও সরকার কোনও রাজনৈতিক দল তাঁদের জীবন থেকে এই ঝুঁকি দূর করবে না। তাঁরা কেবল মুখেই বলবে। আসল পরিস্থিতির সামাল তাঁদেরই দিতে হবে। সেকারণেই বোধগয় গতকালেরক পর আজও সকাল থেকে ঝড়-বৃষ্টিতে ভিজে বাঁধ সামাল দিতে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন গ্রামের বাসিন্দারাই।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+