দলের ভাবমূর্তি বজায় রাখতে হলে নাক-কান কাটাদের দূরে রাখতে হবে: অর্জুন সিং
সামনেই লোকসভা ভোট। আরও একবার দলের একাংশের বিরুদ্ধেই সরব হলেন ভাটপাড়ার তৃণমূল সাংসদ অর্জুন সিং। দুর্নীতি ইস্যুতে সরব হয়েছেন তিনি। পাশাপাশি দুষ্কৃতীদের বুথে বসতে দেওয়া যাবে না। একথা বলেও সরব হয়েছেন।
উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়া এলাকা একসময় উত্তপ্ত ছিল। অর্জুন সিং তৃণমূল থেকে বিজেপিতে গিয়েছিলেন। বিজেপির টিকিটেই তিনি সাংসদ হয়েছিলেন। ভাটপাড়া, শ্যামনগর এলাকা যেন হয়ে উঠেছিল রণভূমি। দুষ্কৃতী দাপটে দিশেহারা ছিলেন সাধারণ মানুষ। একসময় অর্জুন সিং জার্সি বদলে ফের তৃণমূলে চলে আসেন।

বিগত এক বছরে বেশ কয়েক বার অর্জুন সিং সরব হয়েছেন দুষ্কৃতী দৌরাত্মে। তৃণমূলের একটা শ্রেণিকে নিয়েও সাংসদ যথেষ্ট বিরক্ত। আরও একবার সাংসদ সরব হলেন দলের একটা অংশের বিরুদ্ধে। শ্যামনগরের একটি অনুষ্ঠানে কার্যত বিতর্কিত মন্তব্য করলেন অর্জুন সিং।
কিন্তু কী এমন বলেছেন তৃণমূল সাংসদ অর্জুন সিং? তিনি বলেছেন, কোনও নাক কাটা, কান কাটা, গলা কাটাদের বুথে বসতে দেওয়া যাবে না। সভ্য ভদ্র মা- দিদিদের সামনে রাখতে হবে। স্বচ্ছ্ব ভাবমূর্তি আছে এমন প্রাক্তন কাউন্সিলর, প্রাক্তন পঞ্চায়েত সদস্যদের বুথে রাখতে হবে। তা না হলে মানুষের ভরসা ও আস্থা পাওয়া যাবে না। এমনটাই তিনি মনে করেন।
দুষ্কৃতীদের সঙ্গে যুক্ত, অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িতদের ভোটের কাজে লাগানো যাবে না। তাদের থেকে দূরে থাকতে হবে। তা না হলে সেই প্রভাব ভোটব্যাঙ্কে গিয়ে পড়বে। এমনই মনে করেছেন ভাটপাড়ার সাংসদ।
শুধু তাই নয়, নতুন ও পুরনো তৃণমূলীদের দ্বন্দ্ব নিয়েও ফের সরব হয়েছেন সাংসদ। তৃণমূলে পুরনোদের জায়গা নেই। নতুনরা দলে দখলের রাজনীতি চালায়। এই অভিযোগ দীর্ঘ সময় ধরে শোনা যায় দলের অন্দরে। সেই বিষয়কে আরও একবার উসকে দিয়েছেন সাংসদ।
অর্জুনের মতে, দলে পুরনোদের গুরুত্ব আছে। পুরনোদের কথা শুনতে হবে। দলের পুরনোদের জায়গা দিতে হবে। তাহলে ভোটের ফলাফল ভালো হবে। শুধু তাই নয়, দুর্নীতি ইস্যুতেও কিছুটা চিন্তিত সাংসদ। দুর্নীতির থেকে সরে আসার প্রসঙ্গ উঠে এসেছে সাংসদের কথায়।
গঙ্গার তীরবর্তী অঞ্চলের বহু জায়গায় কলকারখানা লাইন দিয়ে বন্ধ হয়ে আছে। বহু কারখানা ধুঁকছে। সেই বিষয় নিয়েও তার মধ্যে ক্ষোভ আছে বলে খবর।












Click it and Unblock the Notifications