কলকাতা ফেরার পথে দুষ্কৃতী তাড়া, খুনের চেষ্টায় অভিযুক্ত তৃণমূল! বারুইপুর থানায় অভিযোগ দায়ের কংগ্রেস নেতার
শাসকদলের বিরুদ্ধে দুষ্কৃতীদের দিয়ে ভয় দেখানোর অভিযোগ আনলেন দলের মুখপাত্র তথা কংগ্রেস নেতা সৌম্য আইচ রায়। এব্যাপারে তিনি বুধবার রাতে বারুইপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। যদিও তৃণমূলের তরফে এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।
বুধবার ক্যানিং থানা এলাকার গোপালপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের হেড়োভাঙ্গা বাজারে দলীয় কার্যালয় উদ্বোধন করেন কংগ্রেস নেতারা। দীর্ঘদিন পরে সেখানে কার্যকলাপ শুরু করে কংগ্রেস। বুধবারের কর্মসূচি সেরে রাতে গাড়িতে করে কলকাতার ফেরার পথে রাস্তায় তিনটি বাইকে মোট ছয় জন দুষ্কৃতী পিছু ধাওয়া করে। এমনকি গুলি চালানোর চেষ্টাও হয় বলে অভিযোগ কংগ্রেস নেতার।

মুখপাত্র সৌম্য আইচ রায় দলের অপর দুই মুখপাত্র মিতা চট্টোপাধ্যায় এবং আশুতোষ চট্টোপাধ্যায়কে সঙ্গে নিয়ে গিয়েছিলেন, ক্যানিংয়ের গোপালপুর অঞ্চলে দলীয় কর্মসূচিতে। আর সেখান থেকে ফেরার পথেই ঘটনাটি ঘটেছে বলে অভিযোগ।
দ্রুততার সঙ্গে তাঁর গাড়ির চালক দুষ্কৃতীদের পরিকল্পনা ভেস্তে দিয়ে সরাসরি পৌঁছে যান বারুইপুর থানায়। সেখানে তিনি ঘটনাটি জানিয়ে অভিযোগ নথিভুক্ত করেছেন। আর এই ঘটনায় সৌম্য আইচ রায়ের সরাসরি অভিযোগের আঙুল তুলেছেন তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে।
তিনি জানিয়েছেন, ওই এলাকায় অনেক দিন কংগ্রেস কোনও কর্মসূচি নিতে পারেনি। আর কর্মসূচি গ্রহণ করতেই এই ধরনের ঘটনা। বিশেষ করে বিরোধীদের বেছে বেছে এই ধরনের ঘটনা ঘটানো হচ্ছে। এদিকে ঘটনাটি জানাজানি হতেই ব্যাপক চাঞ্চল ছড়িয়ে পড়ে দলের কর্মীদের মধ্যে।

ভিডিও বার্তায় সৌম্য আইচ রায়ের প্রশ্ন, কোন রাজ্যে আমরা বাস করছি? বিরোধী দল করা যাবে না? বিরোধীরা এলাকায় একটা পার্টি অফিস খুলেছে বলে, ভয় দেখানো হচ্ছে, হামলা চালানো হচ্ছে? যদিও তৃণমূলের তরফ থেকে এই ঘটচনার কথা অস্বীকার করা হয়েছে। তৃণমূলকে নিয়ে বদনাম করা হচ্ছে বলে পাল্টা অভিযোগ করেছেন শাসকদলের স্থানীয় নেতারা।
বৃহস্পতিবার জাতীয় কংগ্রেসের তরফ থেকে, ক্যানিং থানায় লিখিতভাবে অভিযোগ দায়ের করা হবে বলে জানা গিয়েছে। যদিও থানায় অভিযোগ করার পরে এখনো পর্যন্ত এই ঘটনায় কাউকে আটক বা গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। বারুইপুর জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রাস্তায় সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications