সন্দেশখালিতে টহল দিল কেন্দ্রীয় বাহিনী, আশ্বস্ত করা হল সাধারণ মানুষদের
দীর্ঘদিন ধরে উত্তপ্ত ছিল বিস্তীর্ণ এলাকা। শেখ শাহজাহান ভবানী ভবনে পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। এবার সন্দেশখালির সেই সব এলাকাতেই এসে পৌঁছাল কেন্দ্রীয় বাহিনী। ভোটের আগে সন্দেশখালির রাস্তায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভারী বুটের শব্দ।
রবিবার মধ্যরাতে কেন্দ্রীয় বাহিনী উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালিতে পৌঁছেছে। সোমবার সকালে বাহিনীর জওয়ানরা বেরিয়ে পড়েছেন এলাকায়। সাধারণ মানুষের সঙ্গে তারা কথা বলেছেন। পাশাপাশি বিভিন্ন রাস্তায় টহল চলেছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর।

সন্দেশখালির বেড়মজুরের হাটখোলা এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা এসে পৌঁছেছেন। সেখানেই তারা থাকছেন বলে খবর। সোমবার সকাল থেকে বিভিন্ন জায়গায় তারা টহল দিয়েছেন। বেড়মজুর এলাকায় তারা রুটমার্চ করেছেন। নদী পেরিয়ে জ্বজেলিয়াখালি গিয়েছিলেন জওয়ানরা। সেখানেও তারা টহল দেন বিভিন্ন জায়গায়।
সন্দেশখালি এলাকা আপাতত শান্ত রয়েছে। পরিস্থিতি আয়ত্তের মধ্যে এসেছে অনেকটাই। ১১টি জায়গায় এখন ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে। আগামী দিনে সেইসব ১৪৪ ধারা তুলে নেওয়া হবে। এই কথা শোনা যাচ্ছে। ভোটের আগে সন্দেশখালির পরিস্থিতি কেমন হয়? তাই নিয়ে চর্চা চলছিল রাজনৈতিক মহলে।
এবার দেখা গেল অনেক আগেই পৌঁছে গিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। জানা গিয়েছে, রবিবার রাতে এক কোম্পানি বাহিনী এসেছে। আগামী দিনে আরও অনেক কোম্পানি বাহিনী সন্দেশখালিতে পৌঁছবে। নিরাপত্তার কড়াকড়ি এবার সন্দেশখালিতে দেখা যাবে। এমন কথা শোনা যাচ্ছে রাজনৈতিক মহলে।
শেখ শাহজাহান ও তার বাহিনীরা সন্দেশখালি এলাকায় ভোট করতে দিত না। মানুষজন ভয়ে সিঁটিয়ে থাকত। একাধিক এই ধরনের অভিযোগ সামনে এসেছে। নির্বাচন কমিশনের গোটা বেঞ্চ রাজ্যে রয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের বৈঠক হয়। সেখানেও সন্দেশখালির প্রসঙ্গ তুলে ধরা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন সন্দেশখালি এলাকায় এবার কড়া ভূমিকা পালন করবে। এই কথা শোনা যাচ্ছে। ফলে উত্তর ২৪ পরগনার এই বিস্তীর্ণ অঞ্চল ঘিরে এবারে অনেক বেশি নজরদারি থাকবে বাহিনীর। এমনই অনুমান রাজনৈতিক মহলের।












Click it and Unblock the Notifications