Sheikh Shahjahan: গভীর রাতে 'খাঁচাবন্দি বাঘকে' নিয়ে ডেরায় সিবিআই! নজর এড়িয়ে চলল 'অপারেশন'
Sheikh Shahjahan: দীর্ঘ টানাবাহানার পর অবশেষে শেখ শাহজাহানকে হাতে পেয়েছে সিবিআই। সময় ব্যায় না করে রাতেই তাঁর খাসতালুক সন্দেশখালি নিয়ে যাওয়া হয়। বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘেরাটোপে 'বেতাজ বাদশা'কে সেখানে নিয়ে যাওয়া হয় জানা গিয়েছে। যা খবর, সন্দেশখালি থানায় তাঁকে প্রথম নিয়ে যাওয়া হয়।
এরপর আরও বেশ কয়েকটি জায়গাতেও তাঁকে (Sheikh Shahjahan) নিয়ে যাওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে রাতে দীর্ঘক্ষণ বৈঠক করেন সিবিআই আধিকারিকরা। নেন নথিও। আর এই পুরো অপারেশনটাই সবার নজর এড়িয়ে করা হয়েছে।

ইডির উপর হামলার ঘটনায় সন্দেশখালির ত্রাস শেখ শাহজাহানকে (Sheikh Shahjahan) গ্রেফতার করে রাজ্য পুলিশ। ৫৬ দিনের মাথায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। এরপরেই গোটা ঘটনার তদন্তভার সিআইডিকে দেওয়া হয়। সেই মতো রাজ্যের গোয়েন্দারা ইডির উপর হামলা এবং পুরো বিষয়টির তদন্ত করছিল। যদিও নথি নষ্ট করে দেওয়া হতে পারে, এই আশঙ্কায় তৃণমূল নেতার গ্রেফতারেরর পরেই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় সিট। মামলার শুনানিতে সন্দেশখালির তদন্তভার সিবিআইকে দেওয়ার নির্দেশ দেন প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ।
যদিও এই নির্দেশ দেওয়ার প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর শেখ শাহজাহানকে বুধবার সন্ধ্যায় হাতে পায় সিবিআই। বুধবারই তিনটি এফআইআর দায়ের করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। একটি শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে, আরেকটি শেখ শাহজাহান এবং অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এবং অন্যটি শঙ্কর আঢ্যের বাড়ির সামনে হওয়া ইডির উপর হামলার ঘটনায় এফআইআর করেছে সিবিআই। আর এরপরেই সন্দেশখালিতে ইডির উপর হামলার তদন্তভার শুরু করেছে সিবিআই।
অন্যদিকে রাজ্য পুলিশের তরফেও মামলা করা হয়। সন্দেশখালি এবং ন্যাজোট থানায় সেই এফআইআর হয় বলে খবর। আর সে বিষয়ে জানতে রাতেই ন্যাজোট থানার পুলিশের সঙ্গে সিবিআই যোগাযোগ করে। এবং শেখ শাহজানকে হাতে পাওয়ার পরেই সেখানে পৌঁছে যান আধিকারিকরা। অভিযোগ সংক্রান্ত সমস্ত নথিপত্র সিবিআই আধিকারিকরা সংগ্রহ করেছেন বলে খবর। কিন্তু এই বিষয়ে কেউ কোনও টেরই পাননি। কিন্তু রাতের অন্ধকারে কেন এভাবে তড়িঘড়ি সন্দেশখালি যাওয়ার প্রয়োজন পড়ল? তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা।
মনে করা হচ্ছে, রাজ্য পুলিশের হাতে নথি থাকলে তা নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এমনকি প্রমাণ লোপাঠ করা হতে পারে বলেও আশঙ্কা কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার। আর সেই আশঙ্কা থেকেই সম্ভবত রাতেই এভাবে 'বাঘ'কে নিয়ে সন্দেশখালি গেলেন সিবিআই আধিকারিকরা।












Click it and Unblock the Notifications