CAA issue : মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সিএএ করতে দেওয়া না দেওয়ার কেউ নন, দাবি শান্তনু ঠাকুরের
এনআরসি সিএএ করতে দেবেন না মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলায় তৃণমূল কংগ্রেস সরকার এনআরসি আটকাবে। জোর সওয়াল করছেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু ফের সিএএ নিয়ে বক্তব্য রাখলেন শান্তনু ঠাকুর। কোনও রাজনৈতিক দলের কোনও ক্ষমতা নেই। বললেন তিনি।
দেশের একটা আইন, দেশের দাবি হল সিএএ। এই উপলক্ষে সিএএ আনা হয়েছে। যারা পাকিস্তান, বাংলাদেশ থেকে ধর্মীয় কারণে এদেশে এসেছেন, তাদের নাগরিকত্ব দেওয়া। এতে কোনও রাজনৈতিক দলের কোনও ক্ষমতা নেই। কোনও হাঙ্গামা, ঝামেলা করার কারণ নেই। এমনই দাবি করলেন বিজেপির সাংসদ প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর।

অতি সম্প্রতি শান্তনু ঠাকুর দাবি করেছিলেন সাত দিনের মধ্যে সিএএ চালু হবে। বিজেপির পক্ষ থেকেও দাবি করা হয়েছিল আসন্ন লোকসভা ভোটের আগেই সিএএ লাগু হবে গোটা দেশে। আর তারই বিরোধিতায় নেমে পড়েছে তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জোর গলায় দাবি করেছেন তিনি সিএএ, এনআরসি হতে দেবেন না।
এদিনও একইভাবে সিএএর বিরোধিতা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোটের আগে বিজেপি সিএএ নিয়ে প্রচার করছে। এমন কথাও বলা হচ্ছে। জেলা সফরে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বিএসএফ কোনও পরিচয়পত্র দিলে মানুষ যাতে না নেন। তাই নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
শান্তনু ঠাকুর জানিয়েছেন, যারা ধর্না দিচ্ছেন, হবে না বলছেন,তারা রাজনৈতিক কারণে এইসব করছেন। মুখ্যমন্ত্রীর এক্তিয়ার বহির্ভূত এটা। উনি সিএএ করতে দেওয়া বা না দেওয়ার কেউ নয়। রাজ্য সরকার দেশের পার্ট। বৈদেশিক বিষয় কেন্দ্রের ব্যাপার রাজ্য সরকার চেঁচামেচি করলে কিছু যায় আসে না।
তৃণমূলকে নাম না করে কটাক্ষও করেছেন শান্তনু। সিএএ করতে দেবেন না বলে ভেবেছে রাজ্য সরকার। তাহলে সংসদে ভোটে বা চ্যালেঞ্জে কেন গিয়েছিল? শান্তনু জোর গলায় বলেন, "যদি আমরা ভোট এলে সিএএ নিয়ে চেঁচামেচি করি। তাহলে রাজ্য সরকার কেন কথা বলছে? মানুষ বিশ্বাস করবে ইমপ্লিমেন্টেশনে। প্রসেসিং চলছ, সাত দিনের মধ্যে বা কিছু দিনের মধ্যে দেখবেন সিএএ হচ্ছে। নরেন্দ্র মোদীর গ্যারান্টি এটা।"
রাজ্য সরকার যে কেন্দ্রীয় প্রকল্প থেকে বাংলার মানুষকে বঞ্চিত করেছে। তাদের পাইয়ে দেওয়ার জন্য আছেন মোদীজি। এমনই জোর গলায় দাবি করেছেন শান্তনু। রাজ্য সরকার ব্র্যান্ড পরিবর্তন করেছিল প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা, সড়ক যোজনার। এমনই অভিযোগ শান্তনুর।
শান্তনু বলেন, এই যুক্ত রাষ্ট্রীয় কাঠামোর নিয়ম যদি ভাঙে, তাহলে কেন্দ্রীয় অধিকার আছে, তার প্রকল্প বন্ধ করার। রাজ্য সরকার কেন্দ্রীয় প্রকল্পের দুর্নীতি থেকে নিজেকে আড়াল করতে চাইছে৷ আর নজর ঘোরাতেই ধর্না দিচ্ছে।"












Click it and Unblock the Notifications