বিনা চিকিৎসায় যুবকের মৃত্যু! রণক্ষেত্র নিমতা, দেহ রাস্তায় রেখেই বিক্ষোভ
বিনা চিকিৎসায় যুবকের মৃত্যু! ডাক্তারকে ডেকেও না আসার অভিযোগ। আর তা ঘিরেই রণক্ষেত্র নিমতা। এমনকি দেহ রাস্তায় রেখেও বিক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকার মানুষ। এমনকি পুলিশকে ঘিরে ধরেও চলে তুমুল বিক্ষোভ। কার্যত এলাকার মানুষের বিক্ষোভে
বিনা চিকিৎসায় যুবকের মৃত্যু! ডাক্তারকে ডেকেও না আসার অভিযোগ। আর তা ঘিরেই রণক্ষেত্র নিমতা। এমনকি দেহ রাস্তায় রেখেও বিক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকার মানুষ। এমনকি পুলিশকে ঘিরে ধরেও চলে তুমুল বিক্ষোভ। কার্যত এলাকার মানুষের বিক্ষোভের মুখে পড়ে প্রথমে পিছু হটতে হয় পুলিশকে।
যদিও বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ইতিমধ্যে অভিযুক্ত চিকিৎসক গৌরব রায়কে আটক করেছে পুলিশ।

জানা গিয়েছে, চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে নিমতার আলিপুর বলে একটি এলাকায়। শুক্রবার সকালে হঠাত করেই স্থানীয় এক যুবক অসুস্থ বোধ করে বলে দাবি স্থানীয়দের। আর এরপরেই প্রতিবেশী ডাক্তারকে ফোন করেন ওই যুবকের পরিবার। একবার নয়, একাধিকবার ওই চিকিৎসককে ফোন করা হয় বলে অভিযোগ এলাকার মানুষের।
কিন্তু তাঁকে ডাকা হলেও আসেননি। বরং বারবার অসুস্থ যুবককে তাঁর বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলেন বলে অভিযোগ ডাক্তারের বিরুদ্ধে। কিন্তু সময় যত গড়ায় ওই যুবক আরও অসুস্থ হয়ে পড়েন। শেষমেশ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হলেও রাস্তায় তাঁর মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ।
আর এরপরেই রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে এলাকা। ক্রমশ দানা বাঁধতে শুরু করে বিক্ষোভ। আর তা ভয়ঙ্কর আকার নেই। রাস্তায় দেহ রেখেই চলে বিক্ষোভ। শুধু তাই নয়, অভিযুক্ত ডাক্তারের বাড়িতেও এলাকার মানুষ চড়াও হয়। ব্যাপক ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ।
এলাকার মানুষের অভিযোগ, এলাকার মানুষের সবসময়ে পাশে থাকত ওই যুবক। এমনকি ওই ডাক্তারের কাছে থেকে সবরকম সাহায্য ওই যুবক করত বলেও দাবি। এমনকি করোনার ভয়ঙ্কর অবস্থায় যখন লকডাউন ঘোষণা করা হয় সেই সময় ওই যুবককে দিয়েই অভিযুক্ত ডাক্তারবাবু সবরকম কাজ করাত বলে অভিযোগ এলাকার মানুষের। আর আজ একাধিক ফোন করেও ডাক্তার না আসায় ক্ষোভের মাত্রা ছাড়িয়ে যায়।
কয়েকশ মানুষ রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানান ঘটনার। ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বিশাল পুলিশবাহিনী। যদিও পরিস্থিতি এতটাই অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে যে প্রথমে পিছু হটতে বাধ্য হয় পুলিশ। এরপর বিশাল পুলিশবাহিনী এসে অভিযুক্ত ডাক্তারকে আটক করে নিয়ে যাওয়া হয়। সেই মুহূর্তে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
জদিও কোনও রকমে ডাক্তারকে গাড়িতে তুলেই থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। ইতিমধ্যে তাঁকে জেরা শুরু করেছেন পুলিশ আধিকারিকরা।
অন্যদিকে অভিযুক্ত ডাক্তারবাবু জানিয়েছেন, ওই যুবকের[ হার্ট অ্যাটার্ক হয়ে যায়। সেই সময়ে বাড়িতে রেখে চিকিৎসা করা সম্ভব ছিল না। সেই কারণেই বাড়িতে নিয়ে আসার কথা জানিয়েছিলেন বলে দাবি তাঁর।












Click it and Unblock the Notifications