ফের ভাঙড়ে উত্তেজনা, আরাবুলের বাড়ির পিছনে বস্তাভর্তি বোমা উদ্ধার, গ্রেফতার ৩ ISF কর্মী
গতকাল থেকে উত্তেজনা ছড়িয়েছে ভাঙড়ে। তার জেরে ধর্মতলা চত্ত্বরেও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
গতকালের পর আজও ফের ভাঙড়ে উত্তেজনা। তৃণমূল কংগ্রেস নেতা আরাবুল হোসেনের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে বস্তাভর্তি বোমা। গ্রেফতার করা হয়েছে ৩ আইএসএফ কর্মী। উদ্ধার হয়েছে আগ্নেয়াস্ত্রও। তৃণমূল কংগ্রেসের উপর হামলার পরিকল্পনা করছিল আইএসএফ কর্মীরা এমনই অভিযোগ করা হয়েছে। গতকাল থেকে উত্তেজনা ছড়িয়েছে ভাঙড়ে। তার জেরে ধর্মতলা চত্ত্বরেও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

গতকাল থেকেই উত্তেজনা ছড়িয়েছে ভাঙড়ে। তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে আইএসএফের দফায় দফায় সংঘর্ষে উত্তেজনা ছড়ায়। তার রেশ এসে পৌঁছেছিল ধর্মতলায়। সেখানে নৌশাদ সিদ্দিকির নেতৃত্বে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন আইএসএফের কর্মী সমর্থকরা। উত্তেজনা চরম পর্যায়ে পৌছলে বিশাল পলিশ বাহিনী পরিস্থিতি মোকাবিলায় নামে। গ্রেফতার করা হয় নৌশাদ সিদ্দিকিকে।
গতকাল রাতেও ভাঙড়ে উত্তেজনা ছিল। সকালে ভাঙড়ের তৃণমূল কংগ্রেস নেতা আরাবুলের বাড়ির পিছন থেকে উদ্ধার হয়েছে বস্তাভর্তি তাজা বোমা। ভাঙড়ের উত্তরগাজিপুরে চাষের জমিতে রাখা ছিল বস্তাভর্তি তাজা বোমা। আরাবুল হোসেনের বাড়ির পিছনেই রয়েছে সেই জমি। গ্রামবাসীরা বোমা পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ গিয়ে বোমা উদ্ধার করে। এই ঘটনার পর তিন জন আইএসএফ কর্মীকেও গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়েছে।
তৃণমূল কংগ্রেস নেতা আরাবুল হোসেনের অভিযোগ গতকাল রাতে তাঁদের উপরে হামলার ছক কষেিছন আইএসএফ কর্মীরা। বোমা বন্দুক নিয়ে জমির মধ্যে লুকিয়েছিল তারা। কিন্তু গ্রামবাসীরা টের পেয়ে যাওয়ায় তারা আর হামলা চালাতে পারেনি। আরাবুলের দাবি ধৃত তিন আইএসএফ কর্মীই গুলি চালিয়েছিল। এবং গ্রামে অশান্তি পাকানোর চেষ্টা করেছিল। সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন তার আগে ফের ভাঙড়ে উত্তেজনা ছড়ানোয় নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ভাঙড় বরাবরই উত্তেজনা প্রবণ এলাকা। সব নির্বাচনেই ভাঙড়ে অশান্তি সংঘর্ষ ঘটে থাকে।
গতকাল ভাঙড়ে তৃণমূল কংগ্রেস এবং আইএসএফ কর্মীদের সংঘর্ষে উত্তেজনা চরমে উঠেছিল। তার জের এসে পড়েছিল কলকাতা শহরে। ধর্মতলায় আইএসএফ কর্মীরা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেছিলেন। সেই ঘটনায় আইএসএফ প্রধান নৌশাদ সিদ্দিকীকেও গ্রেফতার করা হয়। তারপরেই শুরু হয় ধরপাকড়। মোট ১৯ জন আইএসএফ কর্মীকে গ্রেফতার করেছে কলকাতা পুলিশ। তাঁদের বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। তার মধ্যে রয়েছে, বেআইনিভাবে জমায়েত, অস্ত্র নিয়ে গন্ডগোল পাকানোর চেষ্টা, সরকারি কর্মীদের কাজে বাধা, সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করা, সরকারি কর্মীদের উপর হামলা, খুনের চেষ্টা। অধিকাংশ ধারায় জামিনব অযোগ্য। যার জেরে তাদের ১০ বছরের জেল পর্যন্ত হতে পারে।












Click it and Unblock the Notifications