দেগঙ্গায় পঞ্চায়েতে তৃণমূল নেত্রীর বাড়িতে বিস্ফোরণ, জখম ২ শ্রমিক, NIA তদন্তের দাবি বিজেপির
দেগঙ্গায় পঞ্চায়েতে তৃণমূল নেত্রীর বাড়িতে বিস্ফোরণ, জখম ২ শ্রমিক, NIA তদন্তের দাবি বিজেপির
পঞ্চায়েত ভোটের আগে আবারও গ্রামবাংলায় বোমা উদ্ধার। দেগঙ্গায় টিএমসি পঞ্চায়েত সদস্যের নির্মিয়মাণ বাড়িতে বোমা বিস্ফোরণ। মেঝে ঢালাইয়ের কাজ করার সময় বিস্ফোরণ ঘটে বলে জানা গিয়েছে। তাতে ২ শ্রমিক আহত হয়েছেন। জমির মধ্যে বোমা পোঁতা ছিল বলে প্রাথমিক ভাবে অনুমান করা হচ্ছে। ঘটনার পর আরো ৩টি বোমা ওই জায়গা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনার এনআইএ তদন্তের দাবি করেছেন বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা। গোটা বাংলা বারুদের স্তূপে পরিণত হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিজেপি নেতা।

রাজ্যে একের পর বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে চলেছে। কোথাও দুষ্কৃতি দৌরাত্যের জেরে তো কোথাও শাসক দলের দ্বন্দ্বের জেরে। সামনেই আবার পঞ্চায়েত নির্বাচন। তার আগে গ্রামাঞ্চলে বোমাগুলির ঘটনা বেড়ে চলায় চাপ বেড়েছে শাসক দলের অন্দরে। তারই মধ্যে আবার দেগঙ্গায় পঞ্চায়েত সদস্যের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে বোমা। তাঁর নির্মিয়মাণ বাড়ির জমিতে কাজ করার সময় হঠাৎই বিস্ফোরণ ঘটে। মেঢে ঢালাইয়ের কাজ হচ্ছিল সেখানে। কাজ চলার সময়ই বোমা ফেটে যায়। ঘটনায় দুই শ্রমিক আহত হয়েছেন।
এই ঘটনার পরেই বাড়ি তৈরির কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়। সেখানে তল্লাশি চালিয়ে আরো কয়েকটি তাজা বোমা উদ্ধার করা হয়েছে। কোথা থেকে এই বোমা সেখানে এল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। আগে থেকেই সেখানে
বোমা মজুত ছিল বলে অভিযোগ বিজেপির। ঘটনার এনআইএ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা। গোটা রাজ্য বোমা-গুলির রাজত্বে পরিণত হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। রাজ্যে সরকারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন তিনি। রাজ্যে একের পর এক বোমা গুলির ঘটনা বেড়ে চলেছে। কয়েকদিন আগে নরেন্দ্রপুরোর কাছে দুষ্কৃতীদের ছোড়া বোমায় ৫ বালক আহত হয়েছিলেন। তার আগে টিটাগড়ের কাছে রেললাইনের ধারে উদ্ধার হয়েছিল একাধিক বোমা। বোমা নিয়ে খেলতে গিয়ে আহত হয়েছিল এক বালিকা।
রাজ্যে সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন। ডিসেম্বরের মধ্যে রাজ্য তৃণমূল সরকারের পতন অনিবার্য বলে দাবি করেছেন একের পর এক বিজেপি নেতা। রাজ্যে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন ডিসেম্বর থেকে আর সরকার চালাতে পারবেন না মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যা। পঞ্চায়েত ভোটকে টার্গেট করে এগোচ্ছে বঙ্গ বিজেপি। ইতিমধ্যেই উত্তরবঙ্গ ভাগের দাবিতে সরব হয়েছেন বিজেপি নেতারা। কামতাপুরী আন্দোলনকারীরা পৃথক কোচবিহারের দাবি করেছেন। পঞ্চায়েত নির্বাচনের সামনেই আবার গোর্খাল্যান্ডের দাবিতে সরব হয়েছেন বিমল গুরুং। ডিসেম্বরেইউ তিনি দিল্লি যাচ্ছেন বিশেষ বৈঠক করতে।
এদিকে রাজ্যে একের পর এক নেতা মন্ত্রীর বিরুদ্ধে ইডি-সিবিআই তৎপরতা শুরু হয়েছে। অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে তদন্তে গতি বাড়িয়েছে ইডি। লটারি ইস্যুতে জেলে গিয়ে অনুব্রত মণ্ডলকে জেরা করেছেন তদন্তকারীরা। রাজ্যে লটারির মাধ্যমে কালো টাকা সাদা করা হচ্ছে বলে দাবি করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।












Click it and Unblock the Notifications