বিজেপিতে বেসুরো সাংসদ শান্তনু কি তৃণমূলের পথে! প্রকাশ্যে শাহের সমালোচনায় জল্পনা
বিজেপিতেও বেসুরো বাজছেন নেতারা। একুশের নির্বাচনের আগে বিজেপিতেও বিদ্রোহী নেতার সন্ধান মিলেছে। শুভেন্দু অধিকারীর মতো ডাকসাইটে নেতা তৃণমূল ছেড়ে এখন বিজেপিতে।
বিজেপিতেও বেসুরো বাজছেন নেতারা। একুশের নির্বাচনের আগে বিজেপিতেও বিদ্রোহী নেতার সন্ধান মিলেছে। শুভেন্দু অধিকারীর মতো ডাকসাইটে নেতা তৃণমূল ছেড়ে এখন বিজেপিতে। তার বিপরীত প্রতিক্রিয়ায় বিজেপিতে ভাঙন ধরিয়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন সৌমিত্র-জায়া সুজাতা খাঁ। তবে এবার কি বিদ্রোহী হয়ে বিজেপি ছাড়বেন হেভিওয়েট সাংসদ শান্তনু ঠাকুর।

শান্তনু ঠাকুর বিজেপিতে বিদ্রোহী
শান্তনু ঠাকুর বিজেপিতে বিদ্রোহী হয়ে উঠলেন একুশের আগে। বনগাঁর বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুর কড়া সমলোচনা করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের। তাঁর কথায়, সিএএ চালু হলে ভালোমন্দ দুরকম প্রভাব পড়তে পরে। কেন্দ্রের সরকার দেড় কোটি মানুষকে দোলাচলে রেখে দিয়েছে। তা নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বক্তব্য স্পষ্ট করছেন না।

অমিত শাহের কড়া সমালোচনা শান্তনু ঠাকুরের
অমিত শাহের কড়া সমালোচনা করে শান্তনু ঠাকুর বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য উদ্বাস্তু সমাজের জন্য ঠিক নয়। শাহকে ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ বলতে হবে। সিএএ ইস্যুতে বিস্ফোরক শান্তনু বলেন, এই আইন চালু না হলে মানুষ বঞ্চিত হবে। মনে রাখা উচিত রাজনৈতিক দল বড় নয়, মানুষের চাহিদাই বড়। ফলে পরিস্থিতিই বলবে আমাকে কী করতে হবে।

শান্তনু ঠাকুর কি তবে বিজেপি ছাড়ার ইঙ্গিত দিলেন
প্রকাশ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সমালোচনা তারপর পরিস্থিতির উপর নিজের ভবিষ্যৎ ছেড়ে দেওয়ার নেপথ্যে অন্য গন্ধ পাচ্ছে রাজনৈতিক মহলের একটা বড় অংশ। শান্তনু ঠাকুর কি তবে বিজেপি ছাড়ার ইঙ্গিত দিলেন তাঁর কথায়, তা নিয়ে চর্চাও শুরু হয়ে গিয়েছে। বিজেপি সাংসদদের এনআরসি-সিএএ নিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষোভ প্রকাশ রাজনৈতিক সমীকরণ ফের বদলে দিতে পারে।

শান্তনু ঠাকুর বেসুরো হতেই তৃণমূল আসরে
শান্তনু ঠাকুর বেসুরো হতেই তৃণমূলের তরফে এই সুযোগের সদ্ব্যবহারের করতে তৎপরতা শুরু হয়েছে। রাজ্যের মন্ত্রী তথা জেলা তৃণমূলের সভাপতি জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক তো শান্তনুকে আমন্ত্রণ জানিয়েই দি্য়েছেন। তিনি বলেন, শান্তনু যদি মনে করে প্ল্যাটফর্ম পাল্টে এসে মতুয়াদের জন্য লড়বে, তাহলে আমি স্বাগত জানাচ্ছি। বিজেপি নেতৃত্বও তাঁকে নিয়ে ঘোর উদ্বেগে।

শান্তনুর দলবদল নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে
বিজেপির পর্যবেক্ষক কৈলাশ বিজয়বর্গীয় নিজে শান্তনুর সঙ্গে দেখা করে তাঁকে শান্ত করার চেষ্টা করেন। তারপর জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক শুধু দলে ফেরার আহ্বান জানিয়েই ক্ষান্ত নেই। বিশেষ সূত্রের খবর শান্তনু ঠাকুরের সঙ্গে একপ্রস্থ কথাও হয়েছে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের। শান্তনুর ক্ষোভ ক্রমশই বাড়ছে, তিনি বলছেন, আমি মতুয়াবাসীকে সিএএ প্রতিশ্রুতি দিয়ে বনগাঁ লোকসভায় জয়যুক্ত হয়েছিলাম। এখন যদি তা দিতে না পারি, আমার মুখ থাকবে না। আমি কোন মুখে তাঁদেরকে বিধানসভা ভোটের কথা বলব? তাঁরা আমার কথা বিশ্বাসই বা করবে কেন?












Click it and Unblock the Notifications