হাঁসখালি ঘটনার কারণ তল্লাসে বিজেপি, ঘটনাস্থল পরিদর্শনে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম
হাঁসখালি ঘটনার কারণ তল্লাসে বিজেপি, ঘটনাস্থল পরিদর্শনে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম
পয়লা বৈশাখের দিনেই হাঁসখািলতে যাচ্ছে বিজেপির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং িটম। ঘটনাস্থ ঘুরে দেখে কারণ অনুসন্ধান করবে তারা। গতকাল রাতেই শহরে এসে পৌঁছেছে বিজেপির অনুসন্ধান কমিটির চার সদস্য। সেই দলে রয়েছেন খুশবু সুন্দর। আজই তাঁরা রওনা হয়ে গিয়েছেন হাঁসখালিতে। সেদিন ঠিক কি ঘটেছিল সেখানে তার কারণ অনুসন্ধান করে এবং পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার হাতে রিপোর্ট তুলে েদবেন। মূলত বিজেপির মহিলা মোর্চার প্রতিনিধিরাই রয়েছেন এই ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং দলে।

হাঁসখালির নারকীয় ধর্ষণের ঘটনার সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। ২ মে-র মধ্যে রিপোর্ট দিতে হবে সিবিআইকে। কিন্তু তাতে সন্তুষ্ট নয় বিজেপি। ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে গঠন করা হয়েছে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম। বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার নির্দেশেই গঠন করা হয়েছে এই প্রতিনিধি দল। তাতে মহারাষ্ট্রের বিজেপি নেত্রী খুশবু সুন্দর, উত্তর প্রদেশের সাংসদ রেখা ভর্মা, উত্তর প্রদেশের মন্ত্রী বেবি রানি মৌর্য, তামিলনাড়ুর বিেজপি বিধায়ক ভানাতি শ্রীনিবাসন রয়েছেন। তাঁরা ইতিমধ্যেই রওনা হয়ে গিয়েছেন হাঁসখািলর পথে।

খুশবু সুন্দর জানিয়েছেন, ঘটনাস্থল ঘুরে দেখে সেখানকার মানুেষর সঙ্গে কথা বলে সঠিক কারণ খুঁজে েবর করার চেষ্টা করবেন তাঁরা। তারপর একটি রিপোর্ট তৈরি করে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার কাছে জমা দেবেন তাঁরা। এর আগে বগটুই কাণ্ডেও বিজেপির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জেপি নাড্ডাকে রিপোর্ট জমা দিয়েছিল। সেই রিপোর্টে টিএমসি জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের গ্রেফতারি দাবি করেছিেলন তাঁরা।
এদিন বিজেপির প্রতিনিধি দল নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন। সূত্রের খবর ধর্ষণকাণ্ডে অভিযুক্তদের প্রতিবেশীদের সঙ্গেও কথা বলবেন তাঁরা। দুই দিকের বয়ান নিয়েই রিপোর্ট তৈরি করবেন তাঁরা। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য এই ঘটনায় টিএমসির প্রভাবশালী নেতার ছেেলর নাম জড়িয়েছে। তার জেরে চাপে রয়েেছ শাসক দল। তার উপরে মু্খ্যমন্ত্রীর এই ঘটনা নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য আগুনে ঘি ঢালার কাজ করেছে। গতকাল আবার টিএমসি সাংসদ সৌগত রায় মন্তব্য করেছেন মহিলা মুখ্যমন্ত্রীর শাসনে একটি ধর্ষণের ঘটনা ঘটা উচিত নয়। তিনি বলেছিেলন মহিলা মুখ্যমন্ত্রীর রাজ্যে একটি ধর্ষণের ঘটনাও লজ্জার।
গত এক মাস ধরে একের পর এক ঘটনা ঘটে চলেছে রাজ্যে। রামপুরহাটে টিএমসি নেতা খুন থেকে শুরু করে বগটুইয়ে নারকীয় হত্যাকাণ্ড। আবার তার পরেই ঝালদায় কাউন্সিলর খুন। একের পর এক ঘটনায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। ১৮ দিনের মধ্যে পর পর চারটি ঘটনার সিবিআই তদন্ত প্রশ্নের মুখে ফেলেছে রাজ্যের পুলিশ প্রশাসনকে। রাজ্যের পুলিশে আস্থা রাখতে পারছেন না সাধারণ মানুষ। এমনই অভিযোগে সরব হয়েছে বিজেপি। রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারির দাবি তুলেছে তারা।












Click it and Unblock the Notifications