প্লাস্টিকজাত দ্রব্যকে ধ্বংস করার ফর্মুলা, তাক লাগিয়ে দিলেন খড়দহের বাঙালি বিজ্ঞানী
প্লাস্টিকজাত দ্রব্যকে ধ্বংস করার ফর্মুলা, তাক লাগিয়ে দিলেন খড়দহের বাঙালি বিজ্ঞানী
প্লাস্টিকজাত দ্রব্যকে ধ্বংস করার ফর্মুলা এবং ১৫টি প্রজাতির ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাক আবিষ্কার তাক লাগিয়ে দিয়েছেন উত্তর ২৪ পরগনার খড়দহের বাঙালি বিজ্ঞানী তথা অধ্যাপক ডা; স্বপন কুমার ঘোষ। স্বপনবাবুর এই আবিষ্কারে রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে বাংলার বিজ্ঞানমহলে।

ডা: স্বপন কুমার ঘােষ বর্তমানে রহড়া রামকৃষ্ণ মিশন শতবার্ষিকী কলেজের বােটানির অধ্যাপক। এর পাশাপাশি তিনি ক্যান্সার নিয়েও গবেষণা করেন। রহড়া রামকৃষ্ণ মিশন বিবেকানন্দ শতবার্ষিকী কলেজের ল্যাবরেটরিতেই গবেষণা করে প্লাস্টিকজাত দ্রব্য ধ্বংসকারী ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাক আবিষ্কার করেছেন বিজ্ঞানী স্বপন কুমার ঘোষ। প্রায় দশ বছর ধরে এই বিষয় নিয়ে গবেষণা করছেন তিনি। স্বপন বাবুর দাবি, দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহারকারী ক্যারিব্যাগ থেকে জলের বোতল, এমনকি ইঞ্জেকশনের সিরিঞ্জ বা স্যালাইনের বোতল সবই ধ্বংস করবে আবিষ্কৃত এই ব্যাকটেরিয়া।
ইতিমধ্যেই এই আবিষ্কার স্বত্ব কিনে নিতে এক ফরাসি কোম্পানি থেকে প্রস্তাব পেয়েছেন স্বপন বাবু। কিন্তু রাজি হননি তিনি। এই বাঙালি বিজ্ঞানী বাংলার জন্য কাজ করতে চান। স্বপনবাবু রাজ্যের পৌরসভাগুলিকে তার আবিষ্কৃত ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাক ব্যবহার করার সুযোগ করে দিতে চান। এর ফলে বাংলার পরিবেশ দূষণের সমস্যা অনেকটাই মিটবে বলে স্বপনবাবুর বিশ্বাস।
প্রসঙ্গত, পলিথিন ব্যাগ, কসমেটিক প্লাস্টিক, গৃহস্থালির প্লাস্টিক, বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহৃত প্লাস্টিক পণ্যের বেশিরভাগই পুনঃচক্রায়ন হয় না। তাই প্লাস্টিক বর্জ্য পরিবেশে দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতিকর প্রভাব সৃষ্টি করে। শুধুমাত্র উদ্ভিদ বা জলজ প্রাণী নয়, মানুষ প্লাস্টিক দূষণের কারণে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। থাইরয়েড হরমোনের অতিরিক্ত ক্ষরণের জন্য প্লাস্টিক দূষণ পরোক্ষভাবে দায়ী। শুধুমাত্র আমেরিকাতে প্রতিবছর ৫ মিলিয়ন টন প্লাস্টিক পণ্য ব্যবহৃত হয়। এগুলোর মধ্যে মাত্র ২৪ শতাংশ পুনঃচক্রায়ন হয়ে থাকে। অন্য ৩.৮ মিলিয়ন টন প্লাস্টিক বর্জ্য আকারে মাটিতে ফেলে দেওয়া হয়।












Click it and Unblock the Notifications