সন্দেশখালি যেতে যান অধীর চৌধুরী, রামপুরে পুলিশের সঙ্গে বচসা- ধাক্কাধাক্কি কংগ্রেসের
রামপুরের রাস্তায় বসে পড়লেন কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরী। সন্দেশখালি যাওয়ার জন্য তিনি রওনা হয়েছিলেন। কিন্তু পুলিশ প্রশাসন তাঁকেও আটকে দিল। রীতিমতো পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি চলল কংগ্রেস নেতা কর্মীদের। ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা।
শুক্রবার সকাল থেকেই রামপুরে রাজনৈতিক উত্তেজনা চরমে রয়েছে। বিজেপির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম প্রথমে রামপুরে যায়। পুলিশ কোনওভাবেই তাদের রামপুর পেরিয়ে সন্দেশখালি যেতে দেয়নি। ওই এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে। সেজন্য সেখানে যাওয়া যাবে না। এই কথা জানিয়ে দেওয়া হয়।

কয়েক ঘণ্টা পরে বিজেপির প্রতিনিধি দল ফিরে যান সেখান থেকে। বেলা গড়াতে কংগ্রেস রামপুর এসে পৌঁছায়। বহরমপুর থেকে সকালেই কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরী রওনা হয়েছিলেন। সন্দেশখালিতে তিনি ঢুকবেন। সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলবেন। সাংসদ জানিয়েছিলেন, পুলিশ যদি ঢুকতে না দেয়, তখন পরিস্থিতি বুঝে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্ব একইভাবে সন্দেশখালি যাওয়ার জন্য রওনা হয়। নেপাল মাহাতো সহ প্রদেশ কংগ্রেসের নেতারা দলে উপস্থিত ছিলেন। কার্যত প্রদেশ কংগ্রেসের তরফে মিছিল করে রামপুরে আসা হয়। প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্ব বাঁশের ব্যারিকেড পেরিয়ে সন্দেশখালি যেতে চান।
#WATCH | West Bengal: State Congress President and MP Adhir Ranjan Chowdhury sits on a protest in Rampur as he was stopped from going to Sandeshkhali. pic.twitter.com/6UwiskpUiD
— ANI (@ANI) February 16, 2024
পুলিশ প্রশাসন জানিয়ে দেয়, কোনও রাজনৈতিক দলকে সন্দেশখালি যেতে দেওয়া হচ্ছে না। অধীর চৌধুরীদের ফিরে যেতে হবে এলাকায়। ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে। কাজেই রামপুর পেরিয়ে কংগ্রেস যেতে পারবে না। এরপরেই শুরু হয়ে যায় ধস্তাধস্তি। বাঁশের ব্যারিকেড ভেঙে ফেলার চেষ্টা হয়। প্রচুর সংখ্যায় পুলিশ মোতায়েন ছিল। পুলিশ কর্মীদের সঙ্গেও বচসা ধাক্কাধাক্কি হয় কংগ্রেস কর্মী নেতাদের।
কোনওভাবেই প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বকে পুলিশ জায়গা ছেড়ে দেয়নি। মহিলা পুলিশ কর্মীদেরও সামনে এগিয়ে দেওয়া হয় বলে খবর। এরপরেই মাটিতে বসে পড়েন বহরমপুরের সাংসদ অধীর চৌধুরী, নেপাল মাহাতো, সৌম্য আইচরা। ধর্না কর্মসূচি শুরু হয় কংগ্রেসের। এই খবর রাস্তাতেই বসে রয়েছেন কংগ্রেস নেতৃত্ব।
সন্দেশখালিতে যে ঘটনা ঘটেছে, চরম লজ্জার। ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। তৃণমূল নেতৃত্ব অপরাধীদের আড়াল করছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘটনার সঙ্গে আরএসএসের যোগসূত্র বার করছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন পশ্চিমবঙ্গে আরএসএসের গুরুত্ব ও কার্যকারিতা অনেক গুণ বেড়েছে। এমন কটাক্ষ করেছেন অধীর চৌধুরী।












Click it and Unblock the Notifications