প্রচুর ইলিশ ধরা পড়ছে সমুদ্রে! বন্দরে হাসি মুখে ফিরছেন মৎস্যজীবীরা?
নিম্নচাপের বৃষ্টি হচ্ছে গাঙ্গেয় দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে। বুধবার মধ্যরাত থেকে সমুদ্র উপকূল অঞ্চল জুড়ে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি চলছে। কখনও চলছে ভারী বর্ষণ। জমা জল যন্ত্রণা শহরাঞ্চলে শুরু হয়েছে। কিন্তু তার মধ্যেও বাঙালির মনে খুশি ধরানো খবর পাওয়া গিয়েছে। ইলিশ নিয়ে বন্দরে ফিরছে মৎস্যজীবীদের ট্রলার।
বর্ষাকাল মানেই ইলিশ মরসুম। আষাঢ় মাসে এবার দক্ষিণবঙ্গে তেমন বৃষ্টি দেখা যায়নি। মধ্য শ্রাবণে দক্ষিণবঙ্গ ভিজতে শুরু করেছে। আবহাওয়া ইলিশ মাছ পাওয়ার জন্য অনুকূল। এ কথা বুঝেই গভীর সমুদ্রে পাড়ি জমিয়েছিলেন মৎস্যজীবীরা। এবার তারা হতাশ হচ্ছেন না বলে খবর।

দক্ষিণ ২৪ পরগণার মৎস্যজীবীরা ফিরতে শুরু করেছেন। ট্রলার থেকে টন টন ইলিশ মাছ নামছে বন্দরে৷ এবারের মরসুমে প্রথম এত ইলিশ মাছ ধরা পড়ছে। এই কথা জানাচ্ছেন মৎস্যজীবীরা৷ ইলিশ জালে ধরা পড়তে খুশি তারা।
জানা গিয়েছে, গত দু'দিনে একশোর বেশি ট্রলার ফিরে এসেছে। কাকদ্বীপ, নামখানা, ফ্রেজারগঞ্জ, পাথরপ্রতিমার মৎস্যবন্দরে এখন খুশির হাওয়া। কারণ, দুই দিনে ৫০ থেকে ৫৫ টন ইলিশ মাছ ধরা পড়েছে এই সব ট্রলারে৷ সব থেকে বেশি ইলিশ এসেছে নামখানায়।
কয়েকশো ট্রলার এখনও মাঝ সমুদ্রে রয়েছে। এদিকে বঙ্গোপসাগরেও ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ মাছ দেখতে পাওয়া যাচ্ছে৷ বর্ষার বৃষ্টি হচ্ছে। সেই কারণে, ইলিশও জলের উপরের অংশে ঝাঁক বেঁধে ঘুরছে। আরও অনেক পরিমাণেই ইলিশ মাছ মৎস্যজীবীরা নিয়ে ফিরবেন। সেই আশা করা হচ্ছে।
জালে ধরা ইলিশের ওজন কত? খোকা ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ। জানা গিয়েছে, খুব বড় ওজনের ইলিশ মাছ পাওয়া যায়নি এবার। চারশো থেকে পাঁচশো গ্রাম ওজনের ইলিশ মাছ বেশি পাওয়া গিয়েছে। এক কিলোর বেশি ওজনের মাছও আছে। ফি বছর ইলিশের দামে ছ্যাঁকা খায় বাঙালি। মাছও চাহিদা অনুসারে থাকে না। এবার কি মাছ পাওয়া যাবে? ইলিশ খেয়ে সাধ ও সাধ্য মেটানো যাবে?
মৎস্যজীবীদের মাছ ধরায় কোনও বাধা নেই৷ আবহাওয়া মাছ ধরার জন্য অনুকূল৷ ফলে আর কত পরিমাণ মাছ জালে ওঠে। সেই অপেক্ষাই করছেন মৎস্যজীবীরা৷












Click it and Unblock the Notifications