ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল মহেশতলার নুঙ্গি, মর্মান্তিক মৃত্যু তিনজনের
ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল মহেশতলার নুঙ্গি। সেখানকার একটি বাজি কারখানাতে এই বিস্ফোরণ ঘটেছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত তিনজনের মৃত্যু ঘটেছে বলে জানা গিয়েছে। বিস্ফোরণে বেশ কয়েকজনের আহত হওয়ারও খবর সামনে আসছে। তবে কীভাবে এই বিস্ফোরণ ঘটল তা এখনও স্পষ্ট নয়।
তবে বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই ছিল বহুদূর পর্যন্ত শোনা যায়। এমনকি ঘটনার পর আগুয়ন ধরে যায় বলেও জানা গিয়েছে।

সম্পূর্ণ ভাবে ভস্মীভূত হয়ে গিয়েছে কারখানাটি
ঘটনার পরেই বিশাল পুলিশবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। মহেশতলা এবং বজবজ থানার পুলিশ আধিকারিকরা পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখেছেন। অন্যদিকে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন দমকল কর্মীরাও। জানা যাচ্ছে, বিস্ফোরণে সম্পূর্ণ ভাবে ভস্মীভূত হয়ে গিয়েছে ওই কারখানাটি। এমনকি আশেপাশের বেশ কয়েকটি বাড়িও সম্পূর্ণ ভাবে ভস্মীভূত হয়ে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে এলাকাতে। ইতিমধ্যে দেহগুলিকে ময়নাতদন্তের জন্যে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

সন্ধ্যায় প্রবল এই বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়
জানা গিয়েছে, মহেশতলা পুরসভার ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের পুটখালী মণ্ডলপাড়ায় এই বিস্ফোরণের ঘটনাটি ঘটে। সোমবার সন্ধ্যায় প্রবল এই বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। শব্দ শুনেই ছুটে আসেন এলাকার মানুষজন। দেখেন দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। প্রাথমিক ভাবে আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগান স্থানীয় মানুষজনই। তবে ঘটনার সময়ে ওই কারখানাতে ছিলেন মালিকের স্ত্রী লিপিকা হাতি, তাঁর ছেলে শান্তনু হাতি। এমনকি প্রতিবেশী এক কিশোরের মৃত্যুর খবরও পাওয়া যাচ্ছে। আগুনের তীব্রতা এতটাই ছিল যে আশেপাশের বাড়িতেও আগুন ছড়িয়ে পড়ে বলে অভিযোগ। তাতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

কোনও বৈধ অনুমতিপত্র ছিল কিনা তা এখনও স্পষ্ট নয়
ইতিমধ্যে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ প্রশাসন। ওই কারখানায় বাজি তৈরির জন্য কোনও বৈধ অনুমতিপত্র ছিল কিনা তা এখনও স্পষ্ট নয়। সেই বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক তরজা। স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন। আর তার আগে ওই এলাকাতে বোমা তৈরির কাজ চলছিল। আর তা চলার সময়েই এই বিস্ফোরণ ঘটে বলে অভিযোগ বিজেপির। যদিও বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষ বলে দাবি তৃণমূলের।

সরকার সম্পূর্ণ উদাসীন
তবে নুঙ্গি এলাকাতে ব্যাঙের ছাতার মতো একাধিক বাজি কারখানা চলছে। মাঝে মধ্যেই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এমনকি মানুষ মৃত্যুর ঘটনা পর্যন্ত ঘটে। কিন্তু এই বিষয়ে সরকার সম্পূর্ণ উদাসীন।












Click it and Unblock the Notifications