পড়ন্ত বিকেলের প্রেমের আমেজে কোন গল্প বলছে 'ফটোগ্রাফ'! নওয়াজের ছবি কী বার্তা দিচ্ছে
আবেগ কি সবসময় কথাতেই বেড়িয়ে পড়ে? ভালোলাগাগুলো কি সবসময়ে বলে ফেললেই তা প্রকট হয়ে ওঠে? প্রেমের সব কথা কি কবিতার ছন্দে কাব্য করেই বলতে হয়, নাকি তা গদ্য়ের মতো বাস্তবের ছবিতেও উজ্জ্বল করে তোলা যায়?
আবেগ কি সবসময় কথাতেই বেড়িয়ে পড়ে? ভালোলাগাগুলো কি সবসময়ে বলে ফেললেই তা প্রকট হয়ে ওঠে? প্রেমের সব কথা কি কবিতার ছন্দে কাব্য করেই বলতে হয়, নাকি তা গদ্য়ের মতো বাস্তবের ছবিতেও উজ্জ্বল করে তোলা যায়? এমনই কিছু ধন্দ্ব তুলে ধরেছে রীতেশ বত্রার ছবি 'ফোটোগ্রাফ'। এই ফিল্মের গল্প যেন একটা মন কেমনের বিকেল এঁকে দিয়েছে গোটা ফিল্ম জুড়ে। পড়ন্ত সূর্যের যে বিকেলে মন কেমনের হলুদ রঙের পাশাপাশি থেকে গিয়েছে সন্ধ্যে নামার আগে বেলফুলের স্নিগ্ধ গন্ধ!...

বিকেলবেলার গল্প
রফি (নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকি) মুম্বইয়ের রাস্তায় স্ট্রিট ফটোগ্রাফি করেন। উত্তরপ্রদেশ থেকে আর চারপাঁচ জনের মতো মায়ানগরীতে স্বপ্ন খোঁজবার আশায় তিনিও সামিল। এদিকে, বাড়িতে তাঁর ঠাকুমা বিয়ের জন্য পাগল করে ছেড়েছেন রফিকে। উপায় না পেয়ে এককালে এক অচেনা মহিলার ছবি ঠাকুমাকে পাঠিয়ে দেয় রফি। বলে এই মেয়েকেই সে ভালোবাসে। এদিকে, ঠাকুমা নাতবউকে দেখতে মুম্বইয়ে যেতে চায়। এই বিপদ এড়াতে, মিলোনী (সানায়া)র সঙ্গে দেখা হয়ে যায় রফির । মিলোনীকে তাঁর সঙ্গিনী হয়ে অভিনয়ের জন্য অনুরোধ জানায় রফি। এরপর গল্প এগোয় এক পাহাড়ি নদীর বয়ে চলার ছন্দে। যেখানে পড়ন্ত সূর্যের আলোতে মেখে থাকে অদ্ভুত তৃপ্তি!

পাহাড়ি নদীর ছন্দ..
স্বচ্ছজলের নদীর বয়ে চলার সঙ্গে একমাত্র তুলনা করা যায় নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকির অভিনয়কে। যে পথে তাকে ঘুরিয়ে দেওয়া যা সেপথ ধরে নিজের স্বাচ্ছন্দ খুঁজে স্বচ্ছতা নিয়ে এগিয়ে যায় তাঁর অভিনয় দক্ষতা। সঙ্গে অবশ্যই যোগ্য সঙ্গত দিয়েছেন সানায়া।

বেলফুলের ঘ্রাণ
হৃষিকেশ মুখোপাধ্যায় কিংবা মৃণাল সেনের ছবির দুটি ভিন্ন ঘরানা কোথাও ঘিরে জোট বেঁধেছে রীতেশ বত্রার এই ছবির গল্প বলার ধরনে। যতডা মজার মোড়ক ততটাই গঙীর আবেগ, ঠিক যেন তাঁর আগের ছবি 'লাঞ্চবক্স' কে মনে করিয়ে দিলেন রীতেশ।












Click it and Unblock the Notifications