Ek je chilo raja movie review:'এক যে আছে যিশু', আবিষ্কার করে দেখালেন সৃজিত!
'সমারোহ' উপস্থিত ছিলই, আর তাতে রাজকীয় সৌন্দর্যে ধরা দিল 'এক যে ছিল রাজা'। দেবীপক্ষ, তথা দুর্গাপুজোর মরশুমে 'পরমতর' হিসাবে নিজেকে নতুন করে তুলে ধরলেন যিশু, অবশ্যই এই যিশুর স্রষ্টা সৃজিত।
'সমারোহ' উপস্থিত ছিলই, আর তাতে রাজকীয় সৌন্দর্যে ধরা দিল 'এক যে ছিল রাজা'। দেবীপক্ষ, তথা দুর্গাপুজোর মরশুমে 'পরমতর' হিসাবে নিজেকে নতুন করে তুলে ধরলেন যিশু, অবশ্যই এই যিশুর স্রষ্টা সৃজিত। তবে ছবির প্রতিটি অংশ জুড়ে যেন জয়া-ফ্যাক্টর বেশি উজ্জ্বল।!

প্রেক্ষাপট
ভাওয়াল রাজবংশের ইতিহাস বাঙালির অবিদিত নয়। তাছাড়া এর আগে উত্তম কুমারের 'সন্ন্যাসী রাজা' ছবির পাহাড় প্রমাণ জনপ্রিয়তা এই ছবির সামনে একটা বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। তবুও গল্পের বহু মোড়েই এই ছবি আলাদা। ভাওয়াল সন্ন্যাসীকে ঘিরে পারিবারিক জটিলতা এখানে সেভাবে স্পষ্ট নয়। বরং তার থেকে বেশি আলোকপাত করা হয়েছে দুই উকিল (অঞ্জন ,অপর্ণা) র পুরনো প্রেমকে নিয়ে। দার্জিলিং এ ভাওয়ালদের মেজ রাজকুমার রমেন্দ্রনারায়ণ রায়ের মৃত্যু ও তার পরবর্তী ঘটনা নিয়ে কাহিনির সূত্রপাত। পরবর্তীকালে গল্পে উঠে আসে রাজার মেজো বোন (জয়া আহসান), ছোট রানি (রাজনন্দিনী পাল) এর ঘটনা। তবে এই ছবিতে বড় রানির সঙ্গে ডাক্তারের পরকীয়া সেভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়নি।

অভিনয়
যিশুকে এই ছবিতে নতুন করে আবিষ্কার করেছেন সৃজিত। সেই মত সুযোগও দিয়েছেন ছবি জুড়ে। তবে এক চুল জমিও অভিনয়ের দাপটে ছাড়েননি জয়া আহসান। বাংলাদেশী এই অভিনেত্রীর অসামান্য বাংলা উচ্চারণ রীতিমত মুগ্ধ করেছে সকলকে। পাশাপাশি, রুদ্রনীল ও অনির্বাণ ভট্টাচার্য এই ছবির সম্পদ হিসাবে উঠে এসেছেন।

পরিচালনা
ইতিহাসের ওলি-গলির অতি সুক্ষ্ম তথ্যও এই ছবির রসদ। ছবির গল্পের বুনোটে তার খানিকটা পরিচয় দিয়েছেন সৃজিত। ভাওয়াল সন্ন্যাসীর মতো আকর্ষণীয় সাবজেক্ট যখন ছবির হৃদপিণ্ড , তথন তার চালিকা শক্তি হিসাবে পরিচালকের গুরুদায়িত্ব পালনে সাফল্যের সঙ্গে এগিয়ে গিয়েছেন 'এক যে ছিল রাজা'ছবির পরিচালক।

সবশেষে
দুর্গাপুজোর 'সমারোহ'-এ এক 'পরমতর'-এর গল্প যদি উপভোগ করতে চান, যগি ইতিহাসের পাতায় আকর্ষণ থাকে, যদি ভালো সময় কাটাতে চান, দেখতেই পারেন যিশু-জয়া-সৃজিতের 'এক যে ছিল রাজা'।












Click it and Unblock the Notifications