২৬/১১-এর স্মৃতি উস্কে দিল 'হোটেল মুম্বই'! দেব-অনুপমের ছবি কোন গল্প বলল
২০০৯ সালের তথ্যচিত্র 'সার্ভাইভিং মুম্বই' থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে এক টানটান উত্তেজনা নিয়ে গল্প বলল 'হোটেল মুম্বই'। উগ্রপন্থার ভাবধারা মানব সমাজে ক্ষচির ভিত কতটা প্রশস্ত করছে তাই উঠে এলো অ্যান্থনি ম্যারসের ফিল্মে। আঁৎকে ওঠার মতো একাধিক দৃশ্যের কোলাজে ঠাসা এই ছবি মুম্বই হামলাকে যেন পরতে পরতে সেলুলয়েডে সজীব করে দিয়েছে।

ফিল্মের গল্প
একটি কণ্ঠস্বর ফোনের ওপার থেকে কয়েকজন জেহাদিকে নির্দিষ্ট পথ দেখাচ্ছিল। আর সেই কথা অনুসরণ করেই সেই জেহাদিরা মুম্বইকে রক্তাক্ত করার জন্য এগিয়ে যাচ্ছে তাজমহল হোটেলের দিকে। এমন টানটান উত্তেজনা দিয়ে শুরু হয় 'হোটেল মুম্বই'। এদিকে হোটেলের ওয়েটার অর্জুন (দেব প্যাটেল) অন্যান্য দিনের মতোই হোটেলে হাজির হতেই উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে বকাঝকা খেয়ে যাচ্ছেন! হেড শেফ হেমন্ত ওবেরয় (অনুপম খের) নিজের দাপটে হোটেলের তদারকি করছেন। কিন্তু এমন স্বাভাবিক পরিস্থিতি পাল্টে যায় উগ্রপন্থীদের প্রবেশে। এরপর ২৬/১১ -এর স্মৃতি উস্কে এই ফিল্ম শেষলগ্ন পর্যন্ত গল্প বলেছে মানবিকতার, মানবিক ভাবনার।

অভিনয়
ছবিতে আলাদা করে নজর কেড়েছেন দেব প্যাটেল। প্রতিটি দৃশ্যের জন্য যেন তিনি নিজের অভিব্যক্তিতে সুক্ষ্মভাবে পালিশ করেছেন 'হোটেল মুম্বই 'ছবিতে। অন্যদিকে, অনুপম খের ফের একবার তাঁর গুণমুগ্ধদের মন ছুঁয়ে যেতে ছাড়েননি! তাঁর বলিষ্ঠ অভিনয় এই ফিল্মেও মন কেড়েছে।

পরিচালনা
২৬/১১ নিয়ে একাধিক ফিল্ম বলিউডে হয়েছে। তাহলে কেন তার থেকে আলাদা 'হোটেল মুম্বই'? এই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন পরিচালক অ্যান্থনি ম্যারস। ছবির চিত্রনাট্য এমনভাবে সাজানো যাতে দর্শকের মনে হয় , যেন তিনিও তাজ হোটেলে ঘটনার সমিল ছিলেন। আর এই কায়দা আয়ত্ত করেছেন অ্যান্থনি ম্যারস। তাঁর পরিচালনার দক্ষতাই এই ছবির পরমপ্রাপ্তি।












Click it and Unblock the Notifications