ঘন ঘন 'ভাল্লাগছেনা' -র সমস্যা কাটাতে ঋত্বিকের 'হ্যাপি পিল' চেখে দেখুন
সুখ আসলে কী? প্রশ্নটা যতটা সরল , উত্তর ততই কঠিন। এই কঠিন উত্তরের খোঁজ সকলেই করে থাকেন। আর খোঁজের রাস্তায় উঠে আসে বহু নিত্যনতুন তত্ত্ব , আবিষ্কার। এরকমই এক আবিষ্কার 'হ্যাপি পিল'।
সুখ আসলে কী? প্রশ্নটা যতটা সরল , উত্তর ততই কঠিন। এই কঠিন উত্তরের খোঁজ সকলেই করে থাকেন। আর খোঁজের রাস্তায় উঠে আসে বহু নিত্যনতুন তত্ত্ব , আবিষ্কার। এরকমই এক আবিষ্কার 'হ্যাপি পিল'। মৈনাক ভৌমিক পরিচালিত এই ছবি ঘরভর্তি জমা অবসাদকে কাটিয়ে ফেলবার বার্তা দেয়। কীভাবে সেই বার্তা দিয়েছে দেখে নেওয়া যাক।

প্রেক্ষাপট
ছবির কেন্দ্রীয় চরিত্র সিদ্ধার্থ (ঋত্বিক)। মেডিক্যালের মেধাবী ছাত্র সিদ্ধার্থের ঝকঝকে কেরিয়ার জলাঞ্জলি দিতে হয়, আর্থিক টানাটানির জেরে। স্বপ্নপূরণ না হলেও রয়াসনের প্রতি সিদ্ধার্থের প্রেম কাটানো যায়নি। এরই মধ্যে সিদ্ধার্থের মিষ্টির দোকানের মাছির ভ্যানভ্যান, বাড়িতে মা আর বোন (পার্নো)-র অবসাদ দেখতে দেখতে দিন কাটত ঋত্বিকের। বোন রিনি (পার্নো)-র অবসাদ তাঁর গায়ের রঙ নিয়ে। সিদ্ধার্থ ভেবে পেত না কিভাবে এই সমস্ত সমস্যা তথা অবসাদকে কাটানো যায়। সঙ্গী বলেত ছিল সিদ্ধার্তের পচা দা (মীর)। আর পচাদার ইন্ধনেই সিদ্ধার্থ একদিন বানিয়ে ফেলে সুখের বড়ি 'হ্যাপি পিল'। খবর পেয়েচলে আসেন সাংবাদিক ইন্দ্রাণী ( সোহিনী)। কিন্তু সেই 'হ্যাপি পিল' সকলকে কী 'হ্যাপি' বানাতে পারে? নাকি সুখ, দুঃখ চক্রাকারে ঘপরতেই থাকে!

পরিচালনা
'এটা হতে পারত' -র ইঙ্গিতকে সঙ্গে নিয়ে শেষ হয়েছে 'হ্য়াপি পিল' ছবিটি। ছোট্ট পরিসরে এক পুরনো বার্তা নতুন ধাঁচে দিতে চেয়েছেন মৈনাক। তবে চিত্রনাট্যে কোথাও যেন টান টান উত্তেজনার বিষয়টি একটু কম ছিল।

অভিনয়
ঋত্বিক চক্রবর্তীর কাছ থেকে প্রতিটি ফিল্ম ঘিরেই প্রত্যাশার পারদ চরমে উঠতে থাকে। আর 'হ্যাপি পিল'-এও ১০০ ভাগ দিয়েছেন ঋত্বিক। এই ছবিতে বাকি দুই তারকা সোহিনী ও পার্নো। দুজনেই নিজের অভিনয় গুণে স্ক্রিনটাইম ভরিয়ে রেখেছেন।

সবশেষে
মন খারাপ, একঘেয়েমি থেকে অনেক সময়ই শুরু হয় ' আর ভাল্লাগছেনা'-র ঘ্যানঘ্যানানি! এই 'ভালো লাগছে না' কে কাটাতেই সুখের বড়ি 'হ্যাপি পিল'। সপ্তাহান্তে প্রেক্ষাগৃহে চেখে আলতেই পারেন এর স্বাদ।












Click it and Unblock the Notifications