বীরাপ্পনের হাতে পুনিত রাজকুমারের বাবার অপহরণের মামলা এখনও রহস্য দেশের কাছে
পুনিত রাজকুমারের বাবার অপহরণের মামলা
হৃদরেগো আক্রান্ত হয়ে শুক্রবারই মৃত্যু হয়েছে পুনিত রাজকুমারের। জানা গিয়েছে, কন্নড় ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির পাওয়ার স্টার পুনিত রাজকুমারের সঙ্গে অশ্বিনী রেবতের বিয়ের আটমাসের মাথায় রাজকুমার পরিবার কুখ্যাত জঙ্গল দস্যু বীরাপ্পনে খপ্পরে পড়েছিলেন। পুনিতের বাবা তথা কিংবদন্তী কন্নড় অভিনেতা রাজকুমার তামিলনাড়ুর ইরোদ জেলায় তাঁর প্রাসাদসম বাড়িতে ঘুরতে গিয়ে বীরাপ্পনের হাতে অপহৃত হন। রাজকুমারের সঙ্গে অপহরণ করা হয় তাঁর জামাই গোবিন্দ রাজ, তাঁর আত্মীয় নাগেশ ও সহযোগী পরিচালক নাগাপ্পা।

বীরাপ্পনের হাতে অপহৃত রাজকুমার
২০২০ সালের ৩০ জুলাই রাজকুমারকে অপহরণ করা হয় তাঁর আদিগ্রাম গাজনুর থেকে। দেশে সেই সময় অপহরণকে স্পর্শকাতর অপরাধ বলে গণ্য করা হয়। সুপ্রিম কোর্ট সেই সময় এই অপহরণের জন্য এম করুণানিধির নেতৃত্বে থাকা তামিলনাড়ু সরকারের তীব্র ভর্ৎসনা করে। সুপ্রিম কোর্ট রাজকুমারের গাজনুর বাড়িতে পুলিশ কর্মী নিয়োগে তামিলনাড়ু সরকারের ব্যর্থতাকে 'অমার্জনীয়' ভুল বলে অভিহিত করেছে। প্রসঙ্গত, এই অপহরণের আগের বছরই গোয়েন্দা দফতরের কাছে তথ্য ছিল যে বীরাপ্পনের কাছ থেকে রাজকুমার হুমকি পেয়েছিলেন। বীরাপ্পানকে ট্র্যাক করার জন্য গঠিত বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) ১৯৯৯ সালে সতর্ক করেছিল যে জঙ্গল দস্যু বীরাপ্পন রাজকুমারকে অপহরণ করার পরিকল্পনা করছে।

এখনও রহস্য রাজকুমার অপহরণ
সুপ্রিম কোর্টের তিন বিচারপতির একটি বেঞ্চ তখন বলেছিল, 'এটা ক্ষমার অযোগ্য যে রাজকুমারকে গাজনুর খামারবাড়ি থেকে অপহরণ করা হতে পারে এমন সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া সত্ত্বেও, সরকার এটি প্রতিরোধে করার কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।' তামিলনাড়ু সরকার এর আগে বীরাপ্পনের বিরুদ্ধে টাডা (সন্ত্রাসী এবং বিঘ্নকারী কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইন) এর অধীনে অভিযোগ প্রত্যাহার করেছিল। এই অপহরণ রাজকুমারের অনুগামীদের ক্ষোভ বাড়িয়ে দিয়েছিল। তবে বীরাপ্পন ও সরকারের মধ্যে আলোচনার পরও কোনও সমাধান সূত্র হয়নি।

১০৮ দিন পর ছাড়া পায় রাজকুমার
অবশেষে ১০৮ দিন পর বীরাপ্পন নভেম্বরে মুক্তি দেন রাজকুমারকে। কিন্তু এখনও তাঁর মুক্তি কোন পরিস্থিতিতে হয়েছিল তা নিয়ে রহস্য। বেশ কিছু বছর ধরে তামিলনাড়ু আদালতে রাজকুমারের অপহরণের মামলা চলতে থাকে। মামলার বিচার চলাকালীন রাজকুমার পরিবার আদালতে জবানবন্দি দেয়নি। রাজকুমারের অপহরণের ১৮ বছর পর সেপ্টেম্বর ২০১৮ সালে, সমস্ত নয় অভিযুক্তকে আদালত বেকসুর খালাস দেয়। রাজকুমার পরিবারের আদালতে জবানবন্দি না দেওয়ার সিদ্ধান্ত তাদের ছাড়া পাওয়ার অন্যতম কারণ বলে জানা গেছে।

২০০৪ সালে মারা যায় বীরাপ্পন
অপহরণের মামলা শেষ হওয়ার সময় বীরাপ্পন এবং রাজকুমার উভয়ই মারা গিয়েছিলেন। ২০০৪ সালে সিটের সঙ্গে এনকাউন্টারে বীরাপ্পন নিহত হন। রাজকুমার ২০০৬ সালে মারা যান।
-
'১৫ দিন বাংলায় থাকব', ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর ডাক, শাহের চ্যালেঞ্জে তপ্ত রাজনীতি -
কালিয়াচকে প্রশাসনিক গাফিলতি? জেলাশাসক, পুলিশ সুপারকে শোকজ, CBI অথবা NIA তদন্তের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট -
ভবানীপুরে আজ শক্তি প্রদর্শনে বিজেপি, শুভেন্দুর মনোনয়নে সঙ্গী অমিত শাহ -
কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্ত! দেশের বিভিন্ন শহরে আই-প্যাকের দফতর ও ডিরেক্টরের বাসভবনে ইডি তল্লাশি -
'খুব দ্রুত যুদ্ধ শেষ করব'! ইরান ইস্যুতে কড়া বার্তা মার্কিন প্রেসিডেন্টের, কী বললেন? -
কালিয়াচক কাণ্ডে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের! 'রাজনীতি নয়, বিচারকদের নিরাপত্তাই...', কী কী বলল শীর্ষ আদালত? -
কালিয়াচক কাণ্ডে উত্তেজনা চরমে! বিচারকদের ঘেরাও-ভাঙচুরে তৃণমূলকে নিশানা সুকান্তর, কী বললেন দিলীপ? -
মালদহের অশান্তি নিয়ে বিজেপিকে কাঠগড়ায় তুলল মমতা, সুতির সভা থেকে শান্তির বার্তা -
বসন্তের শেষে বাড়ছে পারদ! গরমে কী নাজেহাল হবে শহরবাসী? কী জানাচ্ছে হাওয়া অফিস? জানুন -
৫৪ বছর পর চাঁদের পথে মানুষ, ৪ মহাকাশচারী নিয়ে নাসার 'আর্টেমিস ২'-এ ইতিহাসের নতুন অধ্যায় -
মালদহের ঘটনার তদন্তভার নিল সিবিআই, মমতার তোপে কমিশন -
ভোটার তালিকা ইস্যুতে ফের অগ্নিগর্ভ মালদহ, সকালে ফের অবরোধ












Click it and Unblock the Notifications