সুশান্ত থেকে ইরফানদের স্মৃতি উস্কে গেল ফিল্মফেয়ারের মঞ্চে সেরার তালিকায়
করোনাকালে রীতিমতো পাল্টে যেতে শুরু করেছে আশপাশের জীবনধারা। করোনা পূর্ববর্তী ও করোনা পরবর্তী জীবনধারা কার্যত গোটা দুনিয়ার নিয়মকে পাল্টে দিয়েছে। এদিকে, এই করোনাকালে বলিউড হারিয়েছে একের পর এক তারকাকে। বহু তারকাই করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। সেই সমস্ত মন খারাপের অধ্যায়কে সঙ্গে নিয়ে পেশ হল ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ডস।

এবছরের ৬৬ ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ডে মরোনোত্তর সম্মান পেলেন ইরফান খান। পদবীতে 'খান ' থাকলেও, বলিউডে তিন দাপুটে খানের ভিড়ে এই অতুলনীয় নাট্যব্যক্তিত্ব ক্রমেই জনপ্রিয়তা অর্জন করতে শুরু করেছিলেন। অভিনেতা হিসাবে ইরফানের শিল্পনৈপুণ্যে বহুজন বহু সময়েই মুগ্ধ হয়েছেন। কষ্ট পেয়েছেন তাঁর অকাল প্রয়াণে। ঠিক যেভাবে সুশান্ত সিং রাজপুতের চলে যাওয়াকে মানতে পারেনি কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী পর্যন্ত তাঁর ভক্তেরা।ফিল্মফেরারে সুশান্ত অভিনীত 'দিল বেচারা' ছবির জন্য সেরা কোরিওগ্রাফারের পুরস্কার যায় ফারহা খানের হাতে। আর সেই পুরস্কার হাতে তুলেই ফারহা সুশান্তের স্মতি চারণা করেন।
'থাপ্পড়' ছবির জন্য সেরার সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার পান তাপসী পান্নু। 'আংরেজি মিডিয়াম' ছবির জন্য মরোণোত্তর ফিল্মফেয়ারে ভূষিত হলেন ইরফান খান। এদিকে, ক্রিটিক চয়েস অ্যাওয়ার্ডে 'গুলাবো সিতাবো' ছবির জন্য অমিতাভ বচ্চন পেয়েছেন সেরা অভিনেতার সম্মান। সেরা অভিনেত্রী (ক্রিটিক চয়েস) তিলোত্তমা সোম , 'স্যার' ছবির জন্য তিনি এই সম্মান পান। সেরা সহ অভিনেতা তানহাজি ছবির জন্য সইফ আলি খান। সেরা সঙ্গীতকারের সম্মান পান প্রীতম (লুডো)। এদিকে, 'এব আলে উ' ছবির জন্য প্রতীক বৎস পেলেন সেরা ছবির সম্নান (ক্রিটিক)।












Click it and Unblock the Notifications