হাসপাতাল থেকে ফিরে এসে অবশেষে জবানবন্দি দিলেন সইফ আলি খান, জানালেন সেই রাতের অভিজ্ঞতা
১৬ জুন, সেই বিভীষিকাময় রাত! যে রাত ঘুম কেড়েছিল পতৌদি পরিবারের। সেলেবের বাড়িতেই যে কোনও নিরাপত্তা নেই, তা যেন হাতেনাতে প্রমাণ পেয়েছিল গোটা দেশ। কার্যত সবার সামনে মুখ পুড়েছিল মুম্বই পুলিশের। কিন্তু সেই রাতে ঠিক কী ঘটেছিল? এবার ওই রাতের কথা সবাইকে জানালেন অভিনেতা সইফ আলি খান।
যিনি হামলার ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী এবং একই সাথে এই ঘটনায় শিকার হওয়া ব্যক্তি। সইফই দুষ্কৃতির হাতে ছুরির আঘাতে আক্রান্ত হয়ে টানা ৬ দিন হাসপাতালে কাটান। এখন বাড়িতেই রয়েছেন অভিনেতা। আর ২ সপ্তাহ বাড়িতেই বিশ্রাম নেবেন তিনি। এদিন বাড়ি থেকেই ঘটনার দিনের অভিজ্ঞতার কথা জানালেন সইফ।

হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর অবশেষে পুলিশের কাছে বয়ান দিলেন অভিনেতা। সইফ বলেন, "সেই রাতে আমি আর করিনা ১১ তলায় আমাদের শোয়ার ঘরে ছিলাম। আচমকা জেহ্-র ঘর থেকে ওর দেখভালকারী আয়া ইলিয়ামা ফিলিপসের চিৎকার শুনতে পাই। আমরা দৌড়ে সেই ঘরে গিয়ে দেখি এক অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তি সেখানে দাঁড়িয়ে"।
"নিজের ঘরে অচেনা একজনকে দেখে জেহ্ তখন তারস্বরে কাঁদছে। এসব দেখে আর নিজেকে সামলাতে পারেননি সইফ। সন্তানকে বাঁচাতে ঝাঁপিয়ে পড়েন দুষ্কৃতির ওপর। সঙ্গে সঙ্গে আগন্তুক জেহ্-র বদলে নিশানা বানান অভিনেতাকে। এলোপাথাড়ি ঘাড়ে, হাতে, পিঠে ছুরি দিয়ে কোপাতে থাকেন"।
আঘাতের পর আঘাত সহ্য করতে করতে একটা সময় ক্লান্ত হয়ে পড়েন সইফ। সেই অবস্থাতেই ধাক্কা দিয়ে হামলাকারীকে ছোট ছেলের থেকে দূরে সরিয়ে দেন। এই সুযোগে ইলিয়ামা দ্রুত জেহ্-কে নিয়ে অন্য ঘরে পালিয়ে যান। আর সইফের অন্য কর্মচারীরা দুষ্কৃতিকে একটি ঘরে আটক করেন। গুরুতর আহত সইফকে তখন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। ফলে হামলাকারী কীভাবে তাঁর বাসভবন থেকে পালাল সেই ব্যাপারে কিছু আর জানা যায়নি।
গত ২১ জানুয়ারি হাসপাতাল থেকে ছাড়া পান সইফ। আর এদিকে অভিযুক্ত শরিফুল ইসলাম ইতিমধ্যেই পুলিশের হাতে ধরা পড়েছে। স্বাভাবিক ভাবেই সে কেন এই হামলা চালাল, তারও খোঁজ চালাচ্ছে গোয়েন্দা বিভাগ।












Click it and Unblock the Notifications