Social Media: রিলস, শর্টে মজছেন ভারতীয়রা! ভিডিও স্ক্রল করে প্রতিদিন কত সময় ব্যয় করছেন তাঁরা?
বর্তমানে সময়ে ইন্টারনেট ছাড়া মানুষ একপাও চলতে পারেন না। হাতের মুঠোয় ধরা দিয়েছে বিশ্ব, এই ইন্টারনেটের সাহায্য মানুষ যা চাইছেন তাই ঘরে বসে পেয়ে যাচ্ছেন। আর এই সময়ে সোশ্যাল সাইটের ওপর ভরসা করেন অনেকেই, তাছাড়া ইন্টারটেনমেন্টের জন্যো প্রায় সকলেই প্রায় ঝোঁকেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। আর এই সময়ে ইউটিউব, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামে প্রায় সময়েই সকলে সময় অতিবাহিত করে থাকেন।
স্কুল যাওয়া পথে বা অফিসে বাসের ভিড়ে দাঁড়িয়ে থেকেও, আবার খেতে বসে, ঘুমাতে গিয়েও সকলের হাতে ফোন থাকে, আর তাতেই সারাদিন স্ক্রল করতে থাকেন আট থেকে আশির ব্যক্তিরা। ভারতে ২৫০ মিলিয়নের বেশি মানুষ বাস করেন। বেশির ব্যক্তিরাই 'ইন্ডিয়ান হোম গ্রোন অ্যাপস’ ব্যবহার করে থাকেন, সেই পেজগুলিতে তাঁরা সাইস্ক্রাইব করেও রাখছেন। তার মধ্যে রয়েছে ডেইলিহান্ট, জোশ, মোজ, রোপোসো-সহ আরও অন্যান্য অ্যাপসে মজে থাকছেন বহু মানুষ, বাদ দিচ্ছেন না ইনস্টাগ্রামও, এখানেই তাঁরা রিলস, শর্ট স্ক্রল করছেন, যেখানে কিন্তু তাঁরা তাঁদের অনেক সময় ব্যয় করে ফেলছেন।

বর্তমানে একটি প্রতিবেদনে দেখা গেছে, শর্ট ভিডিওগুলি দেখার জন্য বহু মানুষ দিনের ১.২ ঘণ্টা ব্যয় করে ফেলছেন। শহরের ৬৫ থেকে ৭৫ শতাংশ বাসিন্দাও কিন্তু অনলাইনে যুক্ত থাকেন, বাদ যাচ্ছেন না গ্রামবাসীরাও। আর এই বাসিন্দাদের মধ্যে ১০০ মিলিয়নের বেশি মানুষ অনলাইনে লেনদেনও করে থাকেন।
ভারতে অনলাইন অ্যাপসগুলির মধ্যে প্রধান ছিল 'টিকটক’, যা বর্তমানে ব্যবহার করা একেবারেই নিষিদ্ধ। বর্তমানে ছয় মাসে ৫৮ শতাংশের বেশি মানুষ এসভিএফ গেমিং অ্যাপসে মজেছেন। ক্রমেই যেন এই অ্যাপসের চাহিদা বাড়ছে।
প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, এই অনলাইন অ্যাপসের মাধ্যমের বর্তমানে সেলেবদের সঙ্গে যোগাযোগ করা আরও সহজ হয়ে উঠেছে। বহু মানুষ এই অ্যাপসের মাধ্যমে নিজেকে মেলে ধরতে পেরেছেন। প্রতি বছর ১কোটি ২০ লক্ষের বেশি ভিডিও অনলাইনে আপলোড হয়। দেখা গিয়েছে, ২০২২ সালে ৯২ শতাংশ ভিডিও আপলোড করা হয়ছে এবং ২০২৩ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৯ শতাংশ। ক্রমেই বাড়ছে ভিডিওএর সংখ্যা।












Click it and Unblock the Notifications