National Youth Day 2025: জাতীয় যুব দিবস কবে, কেন পালন করা হয় এই দিনটি, জানুন ইতিহাস, গুরুত্ব সম্পর্কে
National Youth Day 2025: প্রতিবছর ১২ জানুয়ারি 'জাতীয় যুব দিবস’ পালন করা হয়। এই দিনটি যুবক যুবতীদের একটি বিশেষ দিন। তরুণ সম্প্রদায়ই দেশের ভবিষ্যৎ। সুন্দর সমাজ গড়বে তাদের হাতেই, এমনই লক্ষ্য ছিল স্বামী বিবেকানন্দের।
যুবসমাজকে অনুপ্রাণিত করবার জন্যই এই বিশেষ দিনটি পালন করা হয়। শুধু কি তাই? ১২ জানুয়ারি 'জাতীয় যুব দিবস’ (National Youth Day) পালন করা হয়। আর এই দিনটি উদযাপনের পেছনে বড় কারণ রয়েছে। জানুন সেগুলি সম্পর্কে।

- স্বামী বিবেকানন্দ কে
দেশের তরুণরা বিবেকানন্দের চিন্তাধারা, আদর্শ আজও মেনে এগিয়ে চলেছেন। স্বামী বিবেকানন্দকে চেনেন না এমন কেউ আছেন বলে মনে হয় না।ছোটবেলা থেকেই আধ্যাত্মিকতার প্রতি তিনি আকর্ষিত হতেন ৷ ১৮৬৩ সালের ১২ জানুয়ারি কলকাতাতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন তিনি। তাঁর আসল নাম নরেন্দ্রনাথ দত্ত। ডাকনাম নরেন। স্বামী বিবেকানন্দ ১৮৯৩ সালে শিকাগোতে অনুষ্ঠিত একটি অনুষ্ঠানে একটি বক্তব্য রেখেছিলেন। সেখানে তিনি বলেছিলেন, 'আমেরিকার ভাই-বোনেরা’। আর এটিই ভারতকে নতুন পরিচয় দিয়েছিল।
- ইতিহাস
বিবেকানন্দের প্রতিটি বাণী মেনে চলেন অনেক তরুণ, তরুণীই। জাতীয় যুব দিবসের ইতিহাস সম্পর্কে জানুন। স্বামী বিবেকানন্দের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে প্রতি বছর ১২ জানুয়ারি পালিত হয় যুব দিবস। এই দিনটি পালনের ১৯৮৪ সাল থেকে এই দিনটি পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত সরকার। তরুণ সম্প্রদায়ের চিন্তাভাবনাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া ১৯৮৫ সালের ১২ জানুয়ারি প্রথমবারের মতন এই দিনটি পালন করা হয়েছিল। তারপর থেকে আজও কিন্তু এই দিনটি পালিত হয়ে আসছে।
- জানুন এই দিন পালনের উদ্দেশ্য
জাতীয় যুব দিবস পালনের মূল উদ্দেশ্য হল- স্বামী বিবেকানন্দের চিন্তাভাবনাকে যুব সমাজের মধ্যে পৌঁছে দেওয়া। তারা যাতে সঠিক পথ বেছে জীবনে এগিয়ে যেতে পারেন। স্বামী বিবেকানন্দের আদর্শ ধারণা, তরুণদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস যাতে বাড়িয়ে তুলতে পারে ও যুব সমাজে যেন আমাদের দেশের গর্ব হয়ে ওঠে, তার জন্য এদিনটি পালন করা হয়। এদিন স্কুল, কলেজ ও অনেক পাড়াতেও সেমিনার, ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে, বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সমাজের প্রতি তাদের দায়িত্ব বোঝানো হয়।
- জানুন এদিন পালনের গুরুত্ব সম্পর্কে
জাতীয় যুব দিবসে তরুণদের সমাজ ও জাতির ভবিষ্যৎ সম্পর্কে জানানো হয়। তাদের শক্তি বাড়ানো। তারা যাতে স্বামী বিবেকানন্দের প্রত্যেকটি বাণী মেনে চলেন এবং তারা যাতে মানুষের মতো মানুষ হয়। তাঁর শিক্ষা ও আদর্শকে স্মরণ করে তারা যেন জীবনের প্রত্যেকটি পদক্ষেপ নিতে পারে। আর এই কারণেই প্রতিবছর ১২ জানুয়ারি পালিত হয় এই বিশেষ দিনটি।












Click it and Unblock the Notifications