রমজান মাসে হালিমের স্বাদ! জানেন কীভাবে GI ট্যাগ পেয়েছে নিজামের শাহি ডিশ
শুরু হয়ে গিয়েছে রমজান মাস। আর রমজান মাস মানেই খাওয়া-দাওয়ার এলাহি আয়োজন তাতে কোনও সন্দেহ নেই। আর রমজান মাসের স্পেশাল ডিস হালিম। কেবল মাত্র মজান মাসেই এই হালিম পাওয়া যায়। আর তাতে সেরা হায়দরাবাদী হালিম।
নিজামের শহরের পিস্তা হাউসের হালিমের সুখ্যাতি বিদেশ পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে। সেই হায়দরাবদী হালিম এবার জিআই ট্যাগ পেয়েছে। ভারতের প্রথম মাংসের কোনও খাবার জিআই ট্যাগ পেয়েছে। এর আগে বাংলার রসগোল্লা জিআই ট্যাগ পেয়েছে। কিন্তু মাংসের কোনও খাবার এখনও পর্যন্ত জিআই ট্যাগ পায়নি।

কাজেই এটা ভারতের বড় সাফল্য বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। হায়দরাবাদের নবাব নিজামের সবচেয়ে পছন্দের খাবার ছিল এই হালিম। যার উৎস সুদূর আরবে। িনজামের হায়দরাবাদী বিরিয়ানির মতোই হায়দরাবাদী হালিমের জনপ্রিয়তা। হালিমের উৎপত্তি সুদূর আরবে হলেও তাতে মিশে রয়েছে নিজামের স্বাদের ছোঁয়া। হায়দরাবাদের নবাবের হেঁসেলে তার স্বাদের এক প্রকার ভারতীয়করণ হয়েছে।
২০১০ সালে প্রথম এই খাবারটি জিআই ট্যাগ পায়। যেটি ছিল ভারতের প্রথম কোনও মাংসের তৈরি পদ যেটি বিশ্বের দরবারে সেরা খাবারের স্বীকৃতি পেয়েছিল। সেই সঙ্গে ভারতের ঐতিহ্যবাহী খাবারে পরিণত হয়েছিল এটি।
২০১৯ সালে এই জিআই ট্যাগের সময়সীমা পেরিয়ে যায়। তারপরে আবার ২০২২ সালে আবার সেই তকমা ফিরে পায়। ভারতের সবচেয়ে জনপ্রিয় এই খাবার এখনও তার ঐতিহ্য এবং সাবেকিয়ানা ধরে রেখেছে।
হায়দারাবাদের পিস্তা হাউসের জিআই ট্যাগের জনপ্রিয়তা বিশ্বজোড়া। পাঁঠার মাংস থেকে মুরগির মাংস উভয় দিয়েই এই হালিম তৈরি করা হয়। সারাদিন ধরেই প্রায় রান্না হয় এই খাবারটি। তারপরে সন্ধেবেলা গিয়ে রোজা ভাঙার পর এই সুস্বাদু খাবার পাতে পড়ে। ঘিয়ে চপচপে এই খাবার তৈরি করেন একসঙ্গে ২ থেকে তিন জন বাবুর্চি। এই সময়ে দিনে ৭০০০-র বেশি প্লেট হালিম বিক্রি হয় হয়দরাবাদের পিস্তা হাউসে। আর কেবল রমজান মাসে এই হালিম বিক্রি করে হায়দরাবাদের পিস্তা হাউস ৮০০ কোটি টাকার ব্যবসা করেছে বলে মনে করে।












Click it and Unblock the Notifications